নিজস্ব প্রতিবেদক »
চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। চলতি মাসের শেষদিকে খুলছে‘এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ । মানুষ দ্রুত বিমানবন্দর পৌঁছে পারবে।
প্রতিদিন চলছে চট্টগ্রামের প্রথম ‘এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ নির্মাণের কাজ। চলতি মে মাসের শেষ সপ্তাহে প্রাথমিকভাবে চালু করার প্রস্তুতি নিয়ে চলছে কাজ।
বর্তমানে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সরাসরি এবং পতেঙ্গা থেকে টাইগারপাস মোড়ে সরাসরি নামার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শেষ হচ্ছে পতেঙ্গা থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য অপেক্ষার প্রহর। গত ১৪ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক্সপ্রেসওয়েটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ওইদিন পতেঙ্গা থেকে টাইগারপাস পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য যানবাহন চলাচল করে। নির্মাণকাজ অসমাপ্ত থাকায় তা আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে আগামী জুন পর্যন্ত।
পুরো এক্সপ্রেসওয়ের ৯টি এলাকায় গাড়ি ওঠানামার জন্য ১৫টি র্যাম্প রাখা হয়েছে। এর মধ্যে জিইসি মোড়ে দুটি, টাইগারপাস মোড়ে দুটি, আগ্রাবাদ মোড়ে দুটি, ফকিরহাটে একটি, নিমতলায় দুটি, সিইপিজেড মোড়ে দুটি এবং কেইপিজেড মোড়ে দুটি। প্রতিটি র্যাম্প হবে দুই লেনের এবং একমুখী।
প্রকল্পের পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, চলতি মাসের শেষে পতেঙ্গা থেকে উঠে টাইগারপাস নেমে যাওয়া এবং আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার হয়ে পতেঙ্গায় গিয়ে নামার পথটি খুলে দিয়ে এক্সপ্রেসওয়ে চালু করা হবে। এ জন্য পতেঙ্গা অংশে অস্থায়ী টোল প্লাজা স্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পের অধীন ১৫টি র্যাম্প আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্মাণ করা হবে।
বহদ্দারহাট থেকে আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারে কেউ উঠলে তিনি সহজেই ওয়াসা মোড়ে মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত পয়েন্টে চলে যেতে পারবেন। সবগুলো র্যাম্পের মুখে বসানো হবে টোল প্লাজা। গাড়ি ওঠানামায় দিতে হবে টোল। তবে টোলপ্লাজার নিমাণকাজ শেষ হতে আরও প্রায় এক বছর সময় লাগবে।


