প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বৃষ্টির কারণে ডেঙ্গু রোগী বাড়তে পারে। চট্টগ্রামে গত বছর জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাস সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। এ সময় প্রতি মাসে গড়ে ২ হাজার ৬শ জনের বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। ওই হিসেবে এ পাঁচ মাস ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে ‘ভয়ংকর’ সময়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এ পর্যন্ত ২১২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়। এর মধ্যে ১০৭ জন মহানগরের এবং ১০৫ জন উপজেলার বাসিন্দা। এছাড়া শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে ১১২ জন পুরুষ, ৫২ জন মহিলা এবং ৪৮ জন শিশু।
চলতি বছর জুলাই মাসের মাত্র দুদিন পেরিয়েছে। এরই মধ্যে শনাক্ত হয়েছে ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী।
তবে সিটি মেয়র ও চট্টগ্রামের সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টরা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি রোধে সচেতনতার ওপর জোর দেন। এছাড়া কারো জ্বর হওয়ার এক থেকে চার দিনের মধ্যে ডেঙ্গু শনাক্তে ‘এনএস–১’ এবং এরপর ‘আইজিজি’ বা ডেঙ্গু অ্যান্টিবডি টেস্ট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এদিকে ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিশ্চিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ জন বেড দিয়ে ডেঙ্গু ডেডিকেটেড কর্নার করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন সিভিল সার্জন। একইসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙে প্রাথমিক চিকিৎসা না দিয়ে কোনো ডেঙ্গু রোগীকে নগরে প্রেরণ না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
রোগী বেশি লোহাগাড়ায় : উপজেলা পর্যায়ে গতকাল শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২২ জন হচ্ছেন লোহাগাড়ার। এছাড়া সাতকানিয়ায় ৭ জন, বাঁশখালীতে ৫ জন, আনোয়ারায় ৪ জন, চন্দনাইশে ৩ জন, পটিয়ায় ২ জন, বোয়ালখালীতে ১০ জন, রাঙ্গুনিয়ায় ৯ জন, রাউজানে ৫ জন, হাটহাজারীতে ১১ জন, ফটিকছড়িতে ৫ জন, সীতাকুণ্ডে ৯ জন, মীরসরাইয়ে ৫ জন, সন্দ্বীপে ৫ জন এবং কর্ণফুলী উপজেলায় রয়েছেন ৩ জন।
মারা গেছেন ২ জন : চলতি বছর এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে ২ জন মারা গেছেন। দুজনই জানুয়ারিতে মারা যান। এছাড়া গত বছর ১০৭ জন, ২০২২ সালে ৪১ জন এবং ২০২১ সালে ৫ জন মারা গেছেন চট্টগ্রামে।


