প্রাইম ভিশন ডেস্ক
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ডুবে গেছে রাঙামাটি শহরের পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ কাপ্তাই হ্রদের ঝুলন্ত সেতু। ঝুঁকি এড়াতে আজ শনিবার সকাল থেকে সেতু দিয়ে পারাপারে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
পর্যটন করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চেঙ্গী, মাইনী ও কাচালং নদী এবং ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে উৎপত্তি হওয়া কর্ণফুলী নদীর পানি কাপ্তাই হ্রদে এসে মিশেছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কয়েক দিন ধরে হ্রদে পানি বাড়ছে। শুক্রবার রাতে পানির উচ্চতা সেতুর পাটাতন স্পর্শ করে। উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় শনিবার সকাল পর্যন্ত সেতুর পাটাতনের ওপর প্রায় চার ইঞ্চি পানি ওঠে।
কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবার দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিট চালু রেখে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কেন্দ্রটির সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা আগামীর সময়কে বলেছেন, হ্রদের পানি বাড়ায় শনিবার সকালে ঝুলন্ত সেতুতে চার ইঞ্চি পানি উঠেছে। ঝুঁকি এড়াতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতু দিয়ে পারাপারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পানি কমে গেলে পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য সেতুটি খুলে দেওয়া হবে।


