Homeএই মুহুর্তেচট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের যাত্রা শুরু

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের যাত্রা শুরু

প্রাইম ভিশন ডেস্ক

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ডেনমার্কের সহযোগিতায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজের সূচনা হতে যাচ্ছে আগামীকাল।

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় লালদিয়া প্রজেক্ট সাইটে আগামীকাল রোববার বেলা ১১টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, এমপি ও বিশেষ অতিথি থাকবেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি।

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগ এ বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে গতি আনা এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই প্রেক্ষাপটে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা সম্প্রসারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আধুনিক অবকাঠামো ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ টার্মিনাল দেশের সমুদ্রবন্দর ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও গতিশীল হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেনমার্কের সহযোগিতায় নির্মিতব্য এ টার্মিনাল চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কনটেইনার পরিবহন ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় দেশের বন্দর ও নৌপরিবহন অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পও এ ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

এই প্রকল্পটি পিপিপি বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব মডেলে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) বিনিয়োগ, যার মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। প্রকল্পের আওতায় কনটেইনার ইয়ার্ড, জেটি, গেট, আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে উঠবে।

প্রস্তাবিত টার্মিনালের বার্ষিক হ্যান্ডলিং সক্ষমতা হবে প্রায় ০.৮ মিলিয়ন ঞঊটং এবং জেটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৬১৫ মিটার। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও আধুনিক এসটিএস ক্রেনসহ উন্নত কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা এখানে স্থাপন করা হবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত থাকবেন।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়