প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ইতোমধ্যে কিছু কিছু ইলিশ পাওয়া গেলেও জাটকা সাইজের পাওয়া যাচ্ছে বেশি। ওজনে প্রতি কেজিতে ইলিশ ধরছে ৫ থেকে ৭টি। এগুলোর দাম তুলনামূলক কম হলেও যেসব ইলিশ ওজনে ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রামের ওপরে সেগুলোর দামও আকাশছোঁয়া। এটি শুধু নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী রাসমনি ঘাটের চিত্র নয়, চট্টগ্রামের সবগুলো পাইকারি বাজারের চিত্র।
বিক্রেতারা বলছেন, এতদিন বৈরি আবহাওয়ার কারণে বেশিভাগ জেলে সমুদ্রে যেতে পারেনি। তাই বাজারে ইলিশ সরবরাহ খুবই কম ছিল। এখন আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেও সাগরে ইলিশ মিলছে কম। তাই বাজারে ইলিশের দামও আকাশছোঁয়া। দাম দেখে অনেকেই ইলিশ না কিনেই হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
ইলিশের ভরা মৌসুম হলেও এখনো ইলিশ ধরা পড়ছে কম। তাই দাম খুব একটা কমছে না। তবে বর্তমানে এ ঘাটে কিছু কিছু ইলিশ আসছে। তা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ধীরে ধীরে ইলিশের দাম কমছে। আশা করি কয়েকদিনের মধ্যে ইলিশের চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাম কিছুটা কমবে।
প্রতিবছর জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের মৌসুম ধরা হয়। তবে চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে এ সময়ে ইলিশের দেখা মিললেও চাহিদার তুলনায় তা অনেক কম। বিশেষ করে বড় সাইজের ইলিশের পরিমাণ তুলনামূলক খুব কম পাওয়া যাচ্ছে।
বাজারে ৫ থেকে ৬টি ছোট মাছ মিলে এক কেজি হয় এমন ইলিশ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশই এখন সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে, যার দাম এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা। ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। এ সাইজের ইলিশ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা। ওজনে এক কেজির বেশি সাইজের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২০০০ থেকে ২২০০ টাকা।
ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে বাংলাদেশ। দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। ইলিশ মাছ রপ্তানি করে বছরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়


