প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
নগরের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে জুলাইয়ে চালু হবে ৫ র্যাম্প। এগুলো হল নিমতলা মোড়ে ওঠানামার দুটি র্যাম্প, টাইগারপাসে আমবাগানমুখী নামার একটি র্যাম্প, আর দুটি ফকিরহাট ও জিইসি। এ এক্সপ্রেসওয়ে লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত সাড়ে ১৫ কিলোমিটার। এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার বাড়াতে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হচ্ছে ৫ র্যাম্পের কাজ। বাকি ৪ র্যাম্পের নির্মাণ কাজও চলতি বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এক্সপ্রেসওয়ের বিভিন্ন অংশে ৯টি র্যাম্প নির্মাণে কাজ করছে সিডিএ। এর মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র্যাম্পের কাজ শুরু হয়নি। বাকি ৫ র্যাম্পের কাজ সেপ্টেম্বরে শেষ হবে বলে আশা করছে সিডিএ।
জিইসির র্যাম্পের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৮৫ শতাংশ। ওয়াসা মোড় এলাকায় ওয়াসার একটি রেগুলেটর রয়েছে। এটি সরাতে আরো ১০ দিন সময় লাগবে। এছাড়া এই র্যাম্পের জিইসি এলাকায় ৬টি দোকান অপসারণ করতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩টি দোকান অপসারণ করা হয়েছে। এছাড়াও জিইসি অংশে একটি বিদ্যুতের খুঁটিও রয়েছে। যার কারণে র্যাম্পের কাজে সময় লাগছে বলে জানিয়েছে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, ৯টি র্যাম্পের মধ্যে ৩টির কাজ পুরোপুরি শেষ। শুধুমাত্র আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র্যাম্পটির কাজ শুরু হয়নি। বাকি র্যাম্পের কাজও অনেক এগিয়েছে। আমরা আশা করছি, সেপ্টেম্বরের মধ্যে চলমান র্যাম্পের কাজ শেষ হয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন, আগ্রাবাদ ডেবারপাড়ের র্যাম্প নির্মাণের জন্য রেলওয়ে আমাদের এখনো জমি বুঝিয়ে দেয়নি। জমি বুঝে পেলে আমরা কাজ শুরু করতে পারবো।
সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, ডেবারপাড়ের র্যাম্প নির্মাণের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। রেলওয়ে থেকে ভূমি পেলে আমরা ওই র্যাম্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করতে পারবো।


