প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ঈদুল আজহার আমেজ চারদিকে ছড়ালেও চট্টগ্রামের পশুর হাটগুলোতে এখনও অনুপস্থিত সেই চিরচেনা ব্যস্ততা। হাটের সারি সারি খুঁটিতে বাঁধা ছোট মাঝারি আর বড় সাইজের গরু। কিন্তু নেই ক্রেতা। বাজারে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি থাকলেও সেই তুলনায় বিক্রি অনেকটা কম। বেশিরভাগ মানুষই করছেন বাজার যাচাই।
দর্শনার্থীরা বলছেন, ঈদের তো অনেক দিন বাকি আছে; তো কেনার আগে একটু ঘুরে দেখা দরকার। তো ঘুরতে আসছি; দামদর দেখছি। ঈদের আগেই কেনার চিন্তাভাবনা আছে, গরুর যখন দামটা একটু কমবে তখন আমাদের জন্য কেনার সাধ্য হবে।
ক্রেতাদের অভিযোগ, বিক্রেতারা এবার পশুর দাম হাকাচ্ছেন আকাশচুম্বী। অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, বিভিন্ন গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন খরচের কারণে পশুর দাম কিছুটা বেশি রাখতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তবে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা না পেয়ে কিছুটা চিন্তিত দূর-দূরান্ত থেকে আসা বেপারীরা।
ক্রেতারা বলেন, তারা বলে যে আমাদের পোষায় না। খাবারের দাম বেশি, এটা বেশি কিন্তু দিনশেষে যখন গরু প্রচুর আমদানি হয়ে যায়; তখন ঠিকই তারা দিয়ে দেয়। যে গরুটা হবে ৫০ হাজার টাকা, সেটা ৬০ হাজার টাকা দর বলছি। তাও দিচ্ছে না। তারা ৯০ হাজার টাকা চাচ্ছে।
তবে বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতা মনে করছে আমাকে ঠকাচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখছি যে আমরা ঠকছি। আমাদের একটা গরু পালতে যে পরিমাণ খরচ, ক্রেতা আমাদেরকে সে পরিমাণ দাম দিচ্ছে না।
এদিকে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপের কথা বলছে হাট কর্তৃপক্ষ।
হাট কর্তৃপক্ষ জানায়, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পুলিশ প্রশাসনের নিরাপত্তায় থাকে। পুলিশ, র্যাব এবং সাদা পোশাকে সিভিলে লোক থাকে। আর ওয়াচ টাওয়ার আছে। এছাড়া আমাদের নিজস্ব ৬০০ স্বেচ্ছাসেবক মাঠে কাজ করছে।
চট্টগ্রাম নগরীতে স্থায়ী-অস্থায়ী মিলিয়ে এবার কোরবানির পশুর হাট বসেছে ৯টি। জেলায় এবার কোরবানির পশুর চাহিদা ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি।


