প্রাইম ভিশন ডেস্ক
চট্টগ্রামে সকাল থেকে ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কাগজে কলমে আষাঢ়-শ্রাবণ দুই মাস বর্ষা ঋতু। সে হিসেবে বর্ষার শেষভাগে এসে ঝরছে শ্রাবণধারা। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে। একই কারণে আরও দুই থেকে তিন দিন হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টি হতে পারে।
চট্টগ্রামে আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে আগামী দুই থেকে তিন দিন চট্টগ্রামসহ দেশের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
চট্টগ্রাম আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী বললেন, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরি হয়েছে। লঘুচাপটি অনুকূল পরিবেশ পেলে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
জুলাই মাসের মতো অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা নেই বলে জানান তিনি। তবে বর্ষাকালের স্বাভাবিক বৃষ্টির সঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে।
সাধারণত আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস কেটে গেলেও বর্ষার প্রভাব থাকে এই অঞ্চলে। অক্টোবর মাসেও থেমে থেমে বৃষ্টির দেখা মিলে। এই সময়টাতে সাগরে লঘুচাপ ও মৌসুমি নিম্নচাপ হয়ে থাকে।
চলমান লঘুচাপের কারণে আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কবার্তা দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের প্রভাবে সমুদ্র বন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


