প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
`শান্তনু বিশ্বাস স্মৃতি পর্ষদ’-এর উৎসব সৌজন্যে ‘চট্টগ্রাম গ্রুপ থিয়েটার ফোরাম’ আয়োজিত ১৭ডিসেম্বর থেকে ২৮ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ দিন ব্যাপী’ গ্রুপ থিয়েটার নাট্য উৎসব ২০২২” এর ৭ম দিনে শুক্রবার
অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চে সন্ধ্যে ৬টায় থাকছে শান্তনু বিশ্বাস স্মৃতি নাট্য-পদক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
কালপুরুষ নাট্য সম্প্রদায় প্রবর্তিত চট্টগ্রাম গ্রুপ থিয়েটার ফোরামের সহযোগিতায় ‘শান্তনু বিশ্বাস স্মৃতি নাট্য পদক ২০২২’ পান অভিনেতা, নাট্য নির্দেশক, সংগঠক ও অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায়ের সভাপতি আকবর রেজা।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম অনিরুদ্ধ মুক্তমঞ্চে আয়োজিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান। চট্টগ্রাম গ্রুপ ফোরাম সভাপতি খালেদ হেলাল-এর সভাপতিত্বে ও নাট্যকর্মী দিলরুবা খানমের উপস্থাপনায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত সাহিত্যিক ড. মাহবুবুল হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী তানজিয়া রহমান, কালপুরুষ নাট্য সম্প্রদায়ের সভাপতি শুভ্রা বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, সৃজনশীল মানুষ অমর। তাঁরা তাঁদের সৃজনকর্ম দ্বারা উত্তরসূরিদের পথ দেখিয়ে যান। কাজের মাধ্যমেই তাঁরা বেঁচে থাকেন। আর বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের উৎকর্ষতার জন্যই তাঁদের স্মরণ করতে হবে, কাজের মূল্যায়ন করে জানাতে হবে শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা। যাঁর নামে স্মৃতি পদক এবং যিনি পেলেন উভয়ই নাট্যজগতে ব্যাপক অবদান রেখেছেন রেখে চলেছেন। তাঁরা বর্তমান ও উত্তর প্রজন্মের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
অন্য বক্তারা শান্তনু বিশ্বাসের বহুমুখী প্রতিভার কথা স্মরণ করে বলেন, আমাদের সবার স্বার্থেই শান্তনু বিশ্বাসের শরণাগত হতে হবে। সততা নিষ্ঠা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়। সমাজ দেশ ও জাতির জন্য রেখে দেয়া যায় অসামান্য অবদান। যা আলোকিত করবে, পথ দেখাবে আলোর। এই কাজটা করে গিয়েছেন নাট্যব্যক্তিত্ব শান্তনু বিশ্বাস আর করেছেন, করে চলেছেন আজকের পদকপ্রাপ্ত নাট্যব্যক্তিত্ব আকবর রেজা।
অনুষ্ঠানে শান্তনু বিশ্বাসের লেখা ও সুরে গান পরিবেশন করবে কালপুরুষ নাট্য সম্প্রদায় এবং নৃত্য পরিবেশন করবে ওডিসি এন্ড টেগোর ড্যান্স মুভমেন্ট।
সন্ধ্যে ৭টায় মিলনায়তনে নাটক “ফুলকুমারী ” পরিবেশন করবে ” উত্তরাধিকার। আমিনুর রহমান মুকুল রচিত ও মোসলেম উদ্দিন সিকদার নির্দেশিত “ফুলকুমারী” নাটকটিতে দেখা যায় টাঙ্গাইল জেলার বংশাই নদীর উপকূবর্তী নর-নারীর গীতাশ্রিত প্রণয়োপাখ্যান।
পাঠনী কন্যা ফুলকুমারীর সাথে প্রণয় হয় জমিদার-পুত্র সোনা মিয়ার। কিন্তু সোনা মিয়ার মা ছেলের জন্য ভাটির দেশের এক জমিদার কন্যার সাথে। সোনা মিয়া মায়ের সিদ্ধান্তে মেনে নিতে না পেরে মাকে ছেড়ে বেরিয়ে যায় ফুলকুমারীর খোঁজে। নানা চড়াই উৎরাই শেষে এক বিরান ভূমিতে সাক্ষাত হয় উভয়ের। সৃষ্টি হয়, এক করুণ অনুভূতির নির্মম দৃশ্যের।
নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন পরিতোষ দাশ বিমল, সুনয়ন দেবনাথ, জাহিদুল ইসলাম সবুজ, রাজিউল হাসান, শেখ নিয়াজ বাবু, মাহমুদ রাসেল, মঈন উদ্দিন কোহেল, গৌতম চৌধুরী, বিটু ভৌমিক, রহিমা খাতুন লুনা, গৌরি নন্দিতা, রামিতা ভৌমিক পিয়াম নাগ,জেনি সুলতানা, শেখ মুনির ও ইমরান।


