প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কারিগরি দুর্বলতায় সরকারি একটি সংস্থার ওয়েবসাইট থেকে ‘লাখ লাখ’ মানুষের তথ্য ফাঁসের ঘটনাটি ঘটেছে। কেউ ওয়েবসাইটটি হ্যাক করেনি।
রবিবার (৯ জুলাই) বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস অ্যাওয়ার্ড প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি অডিটরিয়ামে এর আয়োজন করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের একটি ওয়েবসাইটে এ তথ্য উন্মুক্ত ছিল বলা যায়। ওয়েবসাইটের দুর্বলতার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। আগামীকাল এ বিষয়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
তথ্য ফাঁস হওয়া মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশ না করে তিনি বলেন, সংস্থাটি যে মন্ত্রণালয়ের অধীন সেই মন্ত্রণালয় তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। এখানে সংশ্লিষ্ট সংস্থার গাফিলতি ছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ২৯টি ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন আইডেন্টিফাই করি। এই প্রতিষ্ঠান ২৭ নম্বর তালিকায় ছিল। পাঁচ বছর ধরে ইনসিকিউরিটি গাইডলাইন মেইনটেইন করেছি। আমরা যেখানে এক্সেস পাই সেখানে নিজেরা কাজ করি সিকিউরিটির জন্য। যেখানে পাই না বার বার তাগাদা দেই।
তিনি বলেন, এই ঘটনা কোনো সাইবার সিকিউরিটি হুমকি না, টেকনিক্যাল দুর্বলতা ছিল। কিছু মানুষের দায়িত্ব অবহেলায় দেশের সুনাম নষ্ট হয়েছে। রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে। কোন ডাটা ওপেন কোনটা না সেটা বুঝতে হবে। তাদের জেনারেল গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। তাদের নিয়মিত আইটি এক্সটারনাল অডিট করা দরকার। এগুলো সব বলে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমাধানের জন্য সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইন মানার কথা বলা হয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা নিতে হবে। ডাটা সুরক্ষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যক্তি সবাইকে বুঝতে হবে। তথ্য যত সমৃদ্ধ হচ্ছে, ইকোনোমিক জায়গায় যত অগ্রসর হচে দেশ ততই হ্যাকাররা নজর রাখছে, যদিও এই ঘটনাটা হ্যাক না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস অ্যাওয়ার্ড এমন ব্যাক্তি ও সংস্থাকে সামনে আনবে যারা এ ধরনের চ্যালেঞ্জ থেকে আমাদের সমাজকে উত্তরণ করবে।
দেশের নিম্ন আয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সরকারি কর্মকর্তা, জনসেবা প্রদানকারীদের ১০টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে একজন নারী ও একজন পুরুষ থাকবেন। বিজয়ীদের ১০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।


