প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
এবার ডায়েটিশিয়ানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে চ্যাটজিপিটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই চ্যাটবটটি রীতিমত ডায়েট প্ল্যান প্রস্তুত করে দিচ্ছে। আর সেটি ব্যবহার করে ইতোমধ্যে ১১ কেজি (২৬ পাউন্ড) ওজন কমিয়েছেন গ্রেগ মুশেন নামের এক ব্যক্তি।
ওপেনএআই এর জেনারেটিভ চ্যাটজিপিট সেরকমই ট্রাভেল প্ল্যান বানানো থেকে শুরু করে ডায়েট প্ল্যান পর্যন্ত বানাতে পারে। তবে এজন্য চ্যাটজিপিটকে সঠিক নির্দেশনা দিতে হবে। যদি চ্যাটজিপিটির সাহায্য নিয়ে আপনি কিছু কেজি ওজন কমাতে চান, তাহলে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। চলুন জেনে নিই কীভাবে চ্যাটজিপিট ব্যবহার করে আপনার জন্য ডায়েট প্ল্যান তৈরি করবেন।
লক্ষ্যটি নির্ধারণ করুন
ডায়েট চার্ট তৈরি করার আগে আপনার হেলথ ও ফিটনেস সংক্রান্ত লক্ষ্যটি নির্ধারণ করুন। ওজন বাড়াতে চান, নাকি কমাতে চান, নাকি কেবলই স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেয়ে শরীরটা ফিট রাখতে চান, সেই বিষয়টি প্রথমে ঠিক করুন।
diet-planস্বাস্থ্যের বর্তমানে অবস্থা লিখে ফেলুন
শরীরের উচ্চতা, ওজন, গঠন, দিনে কতক্ষণ কাজ করেন, নির্দিষ্ট কোনও খাবারের প্রয়োজনীয়তা এবং সীমাবদ্ধতাসহ স্বাস্থ্যের বর্তমান অবস্থার তথ্য লিখুন। ফলে আপনি সঠিক ডায়েট প্ল্যান পেতে পারেন। যেমন— আপনার শরীরে যদি থাইরয়েডের সমস্যা থাকে তাহলে সেই অনুযায়ী চ্যাটজিপিটি ডায়েট চার্ট তৈরি করবে।
ক্যালোরি টার্গেট ঠিক করুন
ডায়েট চার্টে ক্যালোরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে প্রয়োজনীয় পুষ্টি বজায় রেখে ক্যালোরির সংখ্যা কম হওয়া উচিত। আবার ওজন বাড়াতে চাইলে ক্যালোরি কাউন্ট বেশি হওয়া উচিত। তবে যেটাই করুন না কেন, জাঙ্ক ফুড এবং অস্বাস্থ্যকর ক্যালোরি এড়িয়ে চলাই ভাল।
diet-planনির্দিষ্ট প্রম্পট তৈরি করুন
চ্যাটজিপিটিকে দিয়ে কী করাতে চান, সেই প্রম্পটের জন্য কিছু তথ্য একসাথে করুন। যেমন— আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান কিন্তু হাইপারথাইরয়েডিজমের সঙ্গে লড়াই করছেন, তাহলে সেটা উল্লেখ করুন। পাশাপাশি আপনি যদি বাঙালি হন, তাহলে চ্যাটজিপিটিকে বলুন যে আপনি বাংলার বাসিন্দা। সেই অনুযায়ী চ্যাটবটটি আপনার খাবারের তালিকা তৈরি করবে।
সবশেষে পুনরায় চেক করুন
চ্যাটজিপিটির ওপর চোখ বন্ধ করে ভরসা করতে যাবেন না। তাই চ্যাটজিপিটি যে ডায়েট চার্ট তৈরি করেছে তা একজন ডায়েটিশিয়ানকে দিয়ে চেক করিয়ে নিন।


