প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বছর একটু কম ছিল, এবছর অনেক বেশি বেড়ে গেছে। আমরা চিকিৎসা দেওয়ার কোনো ঘাটতি রাখিনি। আমাদের হাসপাতালে বেড তৈরি করা হয়েছে, পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। সেখানে কিটের কোনো অভাব নেই। আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র কিট দিচ্ছে বলে আমরা নিচ্ছি। আমাদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য স্যালাইনের সংকট সরকারি হাসপাতালে নেই।
তিনি বলেন, এরই মধ্যে সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গু কিছুটা কমেছে। আমরা দেখেছি অন্যান্য জেলায় অনেক বেড়েছে। আগে যা ছিল তা প্রায় দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছেছে। সবগুলো জেলায় বাড়তি এবং প্রত্যেক জেলায় পরীক্ষা করে দেখা গেছে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। যারা আক্রান্ত হয়েছে বেশিরভাগই ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে অন্যান্য জেলায় গেছে, বাড়িতে গেছে। সেখানে আবারও মশার কামড়ে সেটা ছড়িয়েছে।
জাহিদ মালেক বলেন, মশা যে পর্যন্ত না কমবে সে পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী কমবে না এবং মৃত্যুও কমবে না। কমাতে হলে সবাই মিলে আমাদের কাজ করতে হবে। আমরা সেই চেষ্টাটাই করছি।
তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি ডেঙ্গুটা বেশরিভাগই বড় বড় বিল্ডিংয়ের নিচে, আশপাশের ড্রেন-নালাতে এবং পরিত্যক্ত বিভিন্ন পাত্রে জমা হয়ে আছে। বেশিরভাগ দেখা গেছে ফুলের টবে আছে। এ সব জায়গাগুলো পরিষ্কার হওয়া দরকার এবং পরিত্যক্ত পাত্রগুলো পরিষ্কার করা দরকার। আমাদের নিজেদের বাড়ি যেটা আছে সেটা স্প্রে করতে হবে, পরিষ্কার করতে হবে। বাইরের যেসব ডোবা-নালা আছে সেটা সিটি করপোরেশন পরিষ্কার করছে, আমরা মনে করি আরও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।


