প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের মধ্যে ৪৪ দশমিক ৮১ শতাংশের ঋণ ও দায়-দেনা রয়েছে। এদের মধ্যে ২৫ শতাংশের দায়-দেনার পরিমাণ কোটি টাকার অধিক বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। একই সঙ্গে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রায় ৯০ শতাংশই কোটিপতি। একাদশ জাতীয় সংসদের তুলনায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদে ব্যবসায়ী ও কোটিপতি সংসদ সদস্যের সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে নির্বাচন বিজয়ী সংসদ সদস্যদের হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। এ সময় সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ‘নব নির্বাচিত ২৯৯ সংসদ সদস্যের মধ্যে ঋণ ও দায়-দেনা রয়েছে ১৩৪ জন বা ৪৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। কোটি টাকার অধিক দায়-দেনা রয়েছে ৭৫ জন সংসদ সদস্যের। একাদশ জাতীয় সংসদে দেনাদার ছিলেন ৪৩ জন বা ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এছাড়াও এবারের সংসদে কোটি টাকার উপরে থাকা সংসদ সদস্যের সংখ্যা ২৬৯ জন বা ৮৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী বলেন, সবচেয়ে কম রাজনৈতিক দল এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫টি। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ ছাড়া প্রতিটি সংসদে ৬টি করে রাজনৈতিক দল ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রার্থীদের হলফনামা নিয়ে অনেক বেশি আলোচনা হচ্ছে। আদালত যে উদ্দেশ্যে তথ্য প্রদান বাধ্যমূলক করেছে. সেটি ব্যাহত হচ্ছে বলে আমি মনে করি। হলফনামায় সঠিক তথ্য না দেয়ায় জনগণ বঞ্চিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন শক্ত না হওয়ায় এটি নিছক আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন নিজেই বির্তক সৃষ্টি করেছে। তবে নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে সেটি বলা সম্ভব নয়।


