প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
সারাদেশের মতো চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসেও এনবিআর কর্মকর্তাদের লাগাতার কমপ্লিট শাটডাউনের কারণে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবা প্রত্যাশীরা। বিশেষ করে, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণে বাধার মুখে পড়ায় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।
আজ শনিবার সরেজমিনে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতিতে থাকায় অফিসকক্ষগুলো প্রায় ফাঁকা। ফলে আমদানি করা পণ্যের শুল্কায়ন ও খালাস কিংবা রপ্তানি পণ্যের শুল্কায়ন শেষে জাহাজে ওঠানোর কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এমনকি পূর্বে শুল্কায়ন সম্পন্ন হওয়া চালানগুলোর খালাসেও জটিলতা দেখা দিয়েছে। বন্দরের গেটে অবস্থানরত কাস্টমস কর্মকর্তারা স্ক্যানিং ও পরীক্ষণ না করায় বন্দর কর্তৃপক্ষও এসব পণ্য ছাড় দিচ্ছে না।
প্যাসিফিক জিন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এম তানভীর বলেন, ‘গত কয়েকদিন আমদানি পণ্য খালাস বন্ধ থাকলেও রপ্তানি কার্যক্রম চলমান ছিল। কিন্তু আজ থেকে রপ্তানি পণ্য শুল্কায়ন এবং জাহাজীকরণও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রপ্তানিকারকরা বিপাকে পড়েছেন। নির্ধারিত সময়ে পণ্য পাঠাতে না পারলে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।’
এদিকে, এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার থেকে সারাদেশে ট্যাক্স, কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের সব দপ্তরে লাগাতার কমপ্লিট শাটডাউন চলবে। তবে আন্তর্জাতিক যাত্রীসেবা এ কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে।
একইসঙ্গে সারাদেশের রাজস্ব দপ্তরগুলো থেকে এনবিআর অভিমুখে ‘শান্তিপূর্ণ মার্চ টু এনবিআর’ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।


