প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের এক নেতা আটককে কেন্দ্র করে পটিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রথম দফায় থানার ভেতরে এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন বলে উভয়পক্ষ দাবি করেছেন। পরে রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ডিবি পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় ছাত্র আন্দোলনের অন্তত ২৩ জন নেতা-কর্মী আহত হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) সকাল ১০ টা থেকে ‘পটিয়া ব্লকেড’ কর্মসূচি চলছে।
সূত্র জানায়, দীপঙ্কর দে নামের রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের এক নেতাকে পটিয়ায় আটক করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তবে তার নামে পটিয়া থানায় কোনো মামলা না থাকায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে অস্বীকৃতি জানায়। পুলিশের ভাষ্য, রাঙামাটিতে কোনো মামলা থাকলে তা যাচাই করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই অবস্থায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের বাকবিতণ্ডা হয়, যা একপর্যায়ে হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। থানার গেইট ও অভ্যর্থনা কক্ষের কাচ ভাঙচুর হয় বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রাত সাড়ে ১২টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও কর্মীরা থানার সামনে জড়ো হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে ডিবি পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর বলেন, “ছাত্রলীগের এক নেতাকে নিয়ে তারা থানায় আসেন। এরপর একদল তাকে ঘিরে “মব” সৃষ্টি করে মারধর করে। এসময় তারা থানার নিরাপত্তা ভেঙে থানায় ঢোকার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। এসময় “মব”ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের ৪-৫ জন সদস্য আহত হয়।


