পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এড.দীপেন দেওয়ান বলেছেন, সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে সমতলের মত সমভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামও এগিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নসহ সকল বিষয়ে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খ্বুই আন্তরিক। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাঙ্গামাটি চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে মারমা সংস্কৃতিক সংস্থা- মাসস কর্তৃক মৈত্রিময় পানি বর্ষণ উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান এমপি এসব কথা বলেন।
রাঙ্গামাটি মৈত্রিময় পানি বর্ষণ উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন পরিষদের আহবায়ক পাইসি মং মারমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অর্নার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টা মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, সদর জোন কমান্ডার মো: একরামুল রাহাত পিএসসি, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদার দিপু, সাধারন সম্পাদক এড. মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক মেয়র মো: সাইফুল ইসলাম ভুট্টো, কাপ্তাই মাসসের সভাপতি মং সাথোয়াই চৌধুরী প্রমুখ।
পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, মারমাদের ঐতিহ্যবাহী মৈত্রিময় জলোৎব সম্প্রীতির সমাবেশে পরিনত হয়েছে। এটা অত্যন্ত আনন্দের একটি উৎসব, বর্তমানে আমরা চাকমাসহ অনেকেই তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুরোপুরি ধরে রাখতে না পারলেও মারমারা তাদের ঐতিহ্য ঠিকই ধরে রেখেছে। তাই পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়কে তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে আরো আন্তরিক হতে হবে। পাহাড়ের সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে ধরে রেখেই আমাদের সকলকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে।
গেস্ট অব অর্নারের বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টা মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের বাংলাদেশের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এদেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সম্মিলিত বসবাস।সকলে মিলেমিশে দেশ গঠনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত সবার আগে বাংলাদেশ, সকলে মিলেমিশে রংধনুজাতির এই বৈচিত্রময় পরিবেশ সাংগ্রাই উৎসবে ফুটে উঠেছে। তিনি সকলকে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
উদ্বোধনী সভা শেষে পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানসহ অতিথিবৃন্দ চিং হ্লা মং মারী স্টেডিয়ামে পানি ছিটিয়ে মারমাদের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
পরে স্টেডিয়াম মাঠে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মারমাদের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি উৎসব উপলক্ষে স্টেডিয়াম মাঠে বসেছে বিভিন্ন স্টলের সমাহার।
মারমাদের ঐতিহ্যবাহী জলকেলি উৎসবের মধ্য দিয়ে পাহাড়ে সমাপ্ত হলো ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর অন্যতম বৃহত্তর ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব বৈসাবী।


