প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে মার্চের প্রথম সপ্তাহে দেশে জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে সবচেয়ে বেশি ডিজেল ও অকটেনের চালান নিয়ে আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে চারটি জাহাজ।
আজ দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ১ লাখ ৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে তিনটি এবং ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে একটি জাহাজ এসে ভিড়বে বন্দরে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ। তিনি বলেন, আজকের মধ্যেই বড় চালানের চারটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে।
বিপিসি জানায়, দেশে দৈনিক ডিজেলের চাহিদা ১২ হাজার ৫০০ এবং অকটেনের চাহিদা ১ হাজার ২০০ টন। সেই হিসাবে, নতুন আসা এই ডিজেল দিয়ে ৯ দিন ও অকটেন দিয়ে ২২ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে।
জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস জানিয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘ওকট্রি’ নামের জাহাজটি দুপুর ১২টার দিকে বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে। এরপর, ভারত থেকে ৪১ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘লিয়ান সং হু’ নামের আরেকটি জাহাজ বহির্নোঙরে এসে পৌঁছানোর কথা আজ বিকেল ৫টায়। সন্ধ্যা ৮টার দিকে মালয়েশিয়া থেকে ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘নেভ সিয়েলো’ নামের একটি জাহাজ এসে ভিড়বে বহির্নোঙরে। সবশেষ, রাত ১১টায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আসা ‘কেপ বনি’ নামের জাহাজটি বহির্নোঙরে এসে পৌঁছাবে।
প্রাইড শিপিংয়ের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এবার জ্বালানি তেল নিয়ে আসা জাহাজগুলো আকারে বড় হওয়ায় সেগুলোকে সরাসরি ডলফিন জেটিতে আনা যাবে না। দুটি তুলনামূলক ছোট আকারের মাদার ভেসেলে শিপ টু শিপ ট্রান্সফার করে সেই মাদার ভেসেলগুলোকে ডলফিন জেটিতে আনা হবে।
তিনি বলেন, ‘শিপ টু শিপ ট্রান্সফার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাদার ভেসেল বহির্নোঙরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জাহাজগুলো আসা মাত্রই কাজ শুরু করা হবে। এরপর কাল থেকে একের পর এক জাহাজ ডলফিন জেটিতে ভেড়ানো হবে।’


