ডিজিটাল সার্ভে ও ভূমি জোনিং সম্পন্ন হলে ভূমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে জানিয়েছেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
শনিবার (২২ আগস্ট) চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লুতে ‘বিল্ড এক্সপো’র সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল বলেন, আমরা ভূমি জোনিং ও ভূমি ম্যাপিংয়ের কাজ করছি। ডিজিটাল সার্ভে শেষ করতে পারলে অনেক কাজ সহজ হবে।
রাস্তার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করতে গেলে বর্তমানে দীর্ঘ সময় লাগে। কিন্তু ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হলে অনলাইনে জমি নির্বাচন করে অধিগ্রহণের অপশনে ক্লিক করা যাবে।
এরপর অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা থাকবে। প্রকৃত কাগজপত্র জমা দেওয়ার দুই কর্মদিবসের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করা হবে।
তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি দুর্নীতি কমিয়ে মানুষকে ভালো সেবা দিতে। বাংলাদেশের মানুষই প্রকৃত ক্ষমতার মালিক, দেশের মালিক। তারা যেন আমাদের সেবায় সন্তুষ্ট হয় এবং বুঝতে পারে, আমরা তাদের শাসন করার জন্য নয়, সেবা করার জন্য এখানে আছি।
পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের ভূমিধসের অন্যতম কারণ অবৈধ ইটভাটা। এসব ইটভাটায় নির্বিচারে পাহাড় ও কৃষিজমির মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটিও নষ্ট হচ্ছে।
কার্বন ক্রেডিট অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মীর হেলাল বলেন, বিশ্বজুড়ে এখন কার্বন ক্রেডিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বাংলাদেশ যেন যতটা সম্ভব কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। নির্মাণসামগ্রী নিয়ে যারা কাজ করছেন, তারা নিজ নিজ খাতে বাংলাদেশের জন্য কার্বন ক্রেডিট অর্জনে ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আমিরুল হক এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সভাপতি আবু সাঈদ এম আহমদ।


