প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
তৃতীয়বার বিয়ে করেছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের প্রাক্তন দ্বিতীয় স্ত্রী রেহাম খান। এরই মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন বিয়ের ছবি রেহাম। নব-দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তার অনুগামীরা।
রেহাম খান তার সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন, আত্মার সাথীকে খুঁজে পেয়েছেন তিনি। এরপরই সোশাল মিডিয়ায় নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে হিড়িক পড়ে।
ইনস্টাগ্রামে রেহাম তার অনুরাগীদের মির্জা বিলালের সঙ্গে তার তৃতীয় বিয়ের কথা জানান। সেই সঙ্গে একাধিক ছবি পোস্ট করেছেন। একটি ছবিতে মির্জা বিলালের হাত ধরা ছবি শেয়ার করেন। ছবিতে তাদের বিয়ের আংটি পরে থাকতে দেখা গেছে। সোশাল মিডিয়ায় ছবিটি শেয়ার করে একটি ক্যাপশন দেন। তাতে তিনি লেখেন, ‘একটি সাধারণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা গাঁটছড়া বেঁধেছি। আমার স্বামী মির্জা বিলাল মুসলিম ঐতিহ্য অনুযায়ী স্বর্ণ পরতে অস্বীকার করেছেন।
শেয়ার করা আরেকটি ছবিতে রেহাম এবং মির্জা বিলালকে বিয়ের পোশাক পরে থাকতে দেখা যায়। দু’পক্ষের আত্মীয়-পরিজনদের উপস্থিতিতে বিয়ের অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান রেহাম।
ইনস্টাগ্রামে বিয়ের একাধিক ছবি পোস্টের পর নব দম্পতিকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন সোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ। হার্ট ইমোজিসহ কেউ কেউ তাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কেউ কেউ আবার নতুন দম্পতির সুখের জীবন প্রার্থনা করেছেন। রেহামের বিয়ের সিদ্ধান্তকে ‘দারুণ’ বলে প্রশংসাও করেছেন কেউ কেউ।
উল্লেখ্য, ব্রিটিশ সাংবাদিক রেহাম খানের সঙ্গে মনরোগ বিশেষজ্ঞ ইজাজ রেহমানের প্রথমবার বিয়ে হয়। ১৯৯৩ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। কিন্তু ২০০৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদে হাঁটেন তারা। বিবাহবিচ্ছেদের সময় তিন সন্তানের জননী ছিলেন রেহাম। বর্তমানে প্রথম পক্ষের তিন সন্তান ব্রিটেনে বসবাস করছেন।
এরপর ২০১৪ সালে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ব্রিটিশ সাংবাদিক রেহাম বিয়ে করেন। বিবিসির চাকরি ছেড়ে ইমরানকে বিয়ে করে পুরোপুরিভাবে পাকিস্তানে চলে যান রেহাম। কিন্তু ইমরানের সঙ্গে রেহামের দ্বিতীয় বিয়ে মাত্র ১০ মাস স্থায়ী হয়। সাবেক পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক। কখনো বলা হয়েছিল রেহাম নাকি ইমরান খানকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন। যদিও পরে বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেন রেহাম খান স্বয়ং।
তিনি জানান, বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ হচ্ছে- ইমরান খান নিজের বউকে ঘরবন্দি করে রাখতেই বেশি ভালোবাসতেন। ইমরান চাইতেন না, রেহাম বাইরের জগতের সঙ্গে খুব বেশি মিশুক বা ইমরানের কাজে খুব বেশি নাক গলাক।


