প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
অনলাইন প্রতারকেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে ‘রং নম্বর’ কৌশলে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের দখল নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা একে আধুনিক যুগের ‘ভয়ংকর ডিজিটাল মহামারি’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। আগে এ ধরনের প্রতারণায় অনেক সময়ের প্রয়োজন হতো। কিন্তু এখন এআইর মাধ্যমে এটি অনেক সহজ হয়ে গেছে। প্রতারকেরা এআই ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ঘেঁটে মানুষের পছন্দ-অপছন্দ, পরিবার বা একাকিত্বের সুযোগ নিচ্ছে।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ডাস্টিন ব্রুওয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী এ ক্ষেত্রে সেরা উপায় হলো ‘উপেক্ষা করা’। নিরাপত্তার জন্য আরও যা করতে পারেন—
উত্তর দেবেন না: অপরিচিত নম্বর থেকে আসা যেকোনো ব্যক্তিগত ধাঁচের বার্তার উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
স্প্যাম হিসেবে রিপোর্ট করুন: বার্তাটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটিকে ‘স্প্যাম’ হিসেবে মার্ক করে ডিলিট করে দিন। এতে আপনার মেসেজিং অ্যাপ ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা শনাক্ত করতে সুবিধা পাবে।
ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ারে সতর্কতা: মোবাইল ফোনে বা টেক্সটে কাউকে কোনো ধরনের গিফট কার্ডের নম্বর বা ওটিপি দেবেন না।
প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি প্রতারকদের বুদ্ধিও বাড়ছে। আপনার একটি ছোট্ট অসতর্ক উত্তর আপনার সারা জীবনের সঞ্চয়কে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। তাই অপরিচিত নম্বর থেকে আসা ‘ভুল বার্তা’কে গুরুত্ব না দিয়ে সচেতন থাকাই এখন বাঁচার একমাত্র পথ।
সূত্র: সিএনবিসি


