প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের টেকসই পরিবর্তন চান।
তিনি একটি ‘রেইনবো নেশন’, অর্থাৎ অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈচিত্র্যময় ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে বা বৈষম্যের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
সোমবার (৪ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি) আয়োজিত ‘হিন্দুকুশ-হিমালয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান’ (এইচআই-সিএএস) প্রকল্পের দিনব্যাপী সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকৃতির পরিবর্তনের ফলে বর্তমানে বৃষ্টিপাতের ধরন বদলাচ্ছে এবং খরা দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।
এই সংকটময় প্রেক্ষাপটে কৃষিজীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া সময়োপযোগী উদ্যোগ।
মীর হেলাল উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী।
তিনি চান, পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করে সেখানকার সব নাগরিকের জন্য আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করতে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত বৈষম্য দূর করে একটি সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে তোলাই সরকারের অগ্রাধিকার।
জনকল্যাণে, বিশেষ করে পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে দেশি-বিদেশি সংস্থার গৃহীত যেকোনো ইতিবাচক প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। আরও বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, আইসিমোডের হাই-কাস প্রকল্পের সিনিয়র প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জেসিকা এমিলি ফুলউড থমাস, আরণ্যক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব, প্রকল্পের ফোকাল ব্যক্তি মো. ইমরানুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য ফাদাং তাং রান্ডাল, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মে মে নিউ মারমা এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশনের প্রধান (যোগাযোগ ও অ্যাডভোকেসি) আরিফুর রহমান।
সেমিনারে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


