প্রাইম ভিশন ডেস্ক
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সারা বছর ১৫ ধরনের খেলাধুলা এবং ২১ ধরনের সহ-পাঠ্যক্রমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মাউশির শারীরিক শিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, খেলাধুলার মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ভলিবল, দাবা, ক্রিকেট, টেবিল টেনিস, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল, বাস্কেটবল, হকি, গ্রামীণ ও ঐতিহ্যবাহী খেলা, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, তায়কোয়ান্দো ও মার্শাল আর্ট।
এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য বক্তৃতা, উপস্থিত বক্তৃতা, বাংলা ও ইংরেজি বিতর্ক, দেয়ালিকা তৈরি, বই পড়া, বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা পাঠ, সৃজনশীল লেখা, পরিবেশ সুরক্ষা, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, গণিত অলিম্পিয়াড ও ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’সহ বিভিন্ন সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম চালু থাকবে।
সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মধ্যে আধুনিক, দেশাত্মবোধক, নজরুল, রবীন্দ্র ও লোকসংগীত; বাংলা কবিতা আবৃত্তি, একক অভিনয়, কুইজ, নৃত্য, গ্রাফিতি, চিত্রাঙ্কন এবং উৎসব, লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান রাখা হয়েছে।
মাউশি বলছে, এসব কার্যক্রম একাডেমিক শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই সারা বছরই এসব কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানরা একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সুবিধাজনক সময়ে খেলাধুলা ও অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন।
এ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বয়েজ স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্ল গাইডস, বিজ্ঞান ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব এবং স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


