প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
সাজের শেষভাগ পরিপূর্ণ করে ব্লাশন। শুরুতে ময়েশ্চারাইজার, ফাউন্ডেশন অথবা পাউডার যা কিছু ব্যবহার করতে চান করে ফেলুন। তারপর চোখের মেকআপটাও সেরে নিন। ব্লাশ ব্যবহার করবেন সবার শেষে। এর ব্যবহার হবে পুরো সাজের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। পুরো সাজ শেষ করে ব্লাশনের রং ও পরিমাণ নির্ধারণ করা সহজ হয়।
ব্রাশে হালকা করে পছন্দের রঙের ব্লাশ নিন। ব্রাশটি হালকা ঝেড়ে অতিরিক্ত ব্লাশ ফেলে দিন। এবার তা গোলাকার আকৃতিতে ঘুরিয়ে-ঘুরিয়ে গালে লাগিয়ে নেবেন এবং ভালোভাবে ত্বকের সঙ্গে মিশিয়ে দিতে হবে। একবারে অনেকটা না লাগিয়ে ধীরে-ধীরে রঙের গাঢ়ত্ব বাড়ান। খেয়াল রাখবেন, যাতে কোনোভাবেই ব্লাশের রং খুব বেশি গাঢ় না হয়।
পাউডার ব্লাশ ব্যবহারের জন্য গোলাকার ডোম-আকৃতির ঘন তুলির ব্রাশ সবচেয়ে ভালো। কিন্তু ক্রিম ব্লাশের জন্য স্টিপল তুলির ব্রাশ বেছে নিতে পারেন। চাইলে কোনাকৃতির ব্লাশ-ব্রাশও ব্যবহার করা যেতে পারে। যে ধরনের ব্রাশে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য, সেটাই ব্যবহার করুন।
গালের ঠিক কোন অংশে ব্লাশ লাগাবেন সেটা বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবার মুখের গঠন এক রকম নয়। তবে সাধারণভাবে বলা যায়, ঠোঁট থেকে আনুমানিক দুই আঙুল ওপরে গালের অংশে ব্লাশ লাগাতে পারেন। হাসলে গালের যে অংশ উঁচু হয় অথবা যেখানে রক্তের সঞ্চালন বেড়ে যায়, সেখানে ব্লাশ লাগানোর উপযুক্ত জায়গা।


