Wednesday, June 24, 2026
spot_img
Homeসংবাদআন্তর্জাতিকআটা কিনতেও হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তানিরা

আটা কিনতেও হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তানিরা

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত পাকিস্তান। গত বছরের ভয়াবহ বন্যা সেই সংকট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এমন অবস্থায় আটা কিনতেও হিমশিম খাচ্ছে অনেক পাকিস্তানি। দেশটিতে আটা প্রধান খাদ্যদ্রব্য।

দ্য নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রেকর্ড উচ্চমূল্যে এক ব্যাগ আটা কেনা আক্ষরিক অর্থে দৈনিক মজুরি এবং নিম্ন-আয়ের মানুষের কাছে ‘কল্পনা’ হয়ে উঠেছে। তারা তাদের সমস্যার সমাধানের জন্য মরিয়া হয়ে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে।

খবরে বলা হয়েছে, রাওয়ালপিন্ডি এবং ইসলামাবাদের মতো শহরগুলোতে প্রতি কেজি আটার দাম রেকর্ড ১৩০ রুপি পর্যন্ত বেড়েছে। এর ফলে আটা কেনা সমাজের নিম্ন স্তরের লোকদের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

আটার দামের এই ঊর্ধ্বগতি জনগণকে বিচলিত করেছে। সাধারণ পাকিস্তানিরা মনে করে যে, আর্থিক সংকটের সময়ে মুদ্রাস্ফীতি রোধে সরকারের আরও কিছু করা উচিত। অল্প কিছু ‘ভাগ্যবান’ পাকিস্তানি ইউটিলিটি স্টোর থেকে ভর্তুকি মূল্যে ময়দা এবং অন্যান্য খাদ্য পণ্য কিনতে পারছেন।

শ্রমিকের কাজ করা সিকান্দার জামান জানান, ‘আকাশ ছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি মধ্যম আয়ের গোষ্ঠী এবং নিম্ন আয়ের স্তরকে আক্ষরিক অর্থে পিষে ফেলছে। কারণ অভিজাত শ্রেণির মতো তাদের বাজেট আর আটা এবং রুটির মতো মৌলিক খাদ্য সামগ্রী কেনার মতো অর্থ নেই।’

তিনি বলেন, ‘আটার দাম বাড়ছে, যা রেকর্ড মাত্রা ছুঁয়েছে। প্রতি কেজি আটা এখন ১৩০ রুপি। প্রধান খাদ্যদ্রব্যটি নিম্ন-মধ্যম আয়ের পরিবারের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এটি খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।’

বেশিরভাগ মানুষ তাদের আয়ের একমাত্র উপায় হিসাবে তাদের বেতনের উপর নির্ভর করে। নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়লেও তাদের বেতন আগের মতোই রয়ে গেছে। সীমিত অর্থ দিয়ে ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ পাকিস্তানিরা।

একজন সরকারি কর্মচারী উজমা উইদাদ বলেন, ‘এখন সাধারণ মানুষ তাদের পরিবারকে সমর্থন করতে এবং সাধারণ জীবনধারা বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। চাকরি পাওয়ার জন্য আমরা ভাগ্যবান কিন্তু শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় পারিবারিক ব্যয় আরও কমাতে বাধ্য হয়েছি। আটার মতো প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।’

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়