Homeচট্টগ্রামফেব্রুয়ারি থেকে কালুরঘাটে ফেরি সার্ভিস

ফেব্রুয়ারি থেকে কালুরঘাটে ফেরি সার্ভিস

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

কালুরঘাটে আগামী মাসে শুরু হচ্ছে ফেরি সার্ভিস। এ জন্য সেতুর উভয় পাশে এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে নদীতে চলে এসেছে তিনটি ফেরি। শত বছরের পুরনো জরাজীর্ণ কালুরঘাট সেতুতে প্রতিদিন শতশত যানবাহন চলাচল করছে। একমুখী সেতু হওয়ায় এ পাড় থেকে ওপাড় যেতে যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগে পড়তে হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয় যাত্রীদের। মূলত যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ভারী যানবাহনের চলাচল এড়ানোর জন্যই সড়ক ও জনপথ বিভাগ নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফেরি সার্ভিস শুরু হবে। ফেব্রুয়ারিতে ফেরি সার্ভিস চালু হলে কালুরঘাট সেতুর উভয় পাশের যানজট স্বাভাবিক হবে বলে মনে করছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা। অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন কালুরঘাট সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। যান চলাচলে মানুষের সীমাহীন ভোগান্তি হচ্ছে। ফেরি চলাচল শুরু হলে বড় গাড়িগুলো ফেরিতে যাবে। এছাড়া ছোট গাড়িও যাবে। তখন কালুরঘাট সেতুতে রেল ও ছোট গাড়ি চলাচল করবে বলে জানান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণের অগ্রগতি প্রসঙ্গে গত বুধবার চট্টগ্রামে রেলওয়ের একটি অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন আগামী বছরের শুরুতেই কালুরঘাট সেতুর কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন। অপরদিকে পুরনো কালুরঘাট সেতুকে সংস্কার করে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালানোর উপযোগী করে তোলার জন্য বুয়েটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা কাজ শুরু করেছে। বুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিম সমীক্ষা চালিয়ে রিপোর্ট দেয়ার পর বুয়েটের রিপোর্টের উপর রেল কর্তৃপক্ষ সেতুটি মেরামতের উপযোগী করতে টেন্ডার আহ্বান করবে। নতুন ভাবে মেরামতের পর এই সেতু দিয়ে কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালানো যাবে বলে জানান চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেল লাইন প্রকেল্পর অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী আবুল কালাম চৌধুরী।

তিনি জানান, দোহাজারী–কক্সবাজার ১০০ কিলোমিটার পথের মধ্যে ৬০ কিলোমিটারে রেললাইন বসে গেছে। ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে কক্সবাজার সাইটে কাজ এগিয়ে গেছে। প্রকল্পের বেশির ভাগ ব্রিজ–কালভার্ট নির্মাণ শেষ হয়েছে। যেগুলো বাকি আছে সেগুলোও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি ৭৮ শতাংশ। প্রকল্পের মেয়াদ আছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। আমরা চেষ্টা করছি ২০২৩–এর মধ্যে কাজ শেষ করতে। সূত্র দৈনিক আজাদী।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়