বৃহস্পতিবার, জুন ১১, ২০২৬
spot_img
Homeএই মুহুর্তেপরিত্যক্ত হ্যাচারিতে গুলিবিদ্ধ লাশ

পরিত্যক্ত হ্যাচারিতে গুলিবিদ্ধ লাশ

 

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

কক্সবাজার শহরের কলাতলীর পরিত্যক্ত একটি হ্যাচারি থেকে বশির আহমেদ (৪৫) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে দক্ষিণ কলাতলী মেম্বারঘাটা নামক জায়গায় পরিত্যক্ত সীমুজি হ্যাচারি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবক কুমিল্লা বরুডার আবু তাহের ছেলে। তবে, তিনি কক্সবাজার শহরে কলাতলীতে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে বাস করছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাত ১২টার দিকে গুলির শব্দ পেয়ে পরিত্যক্ত হ্যাচারিতে যায় স্থানীয়রা। সেখানে গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে কপালে গুলিবিদ্ধ মরদেহটি উদ্ধার করার পর এটি বশির বলে পরিচয় শনাক্ত হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয়রা আরো জানায়, বশির দীর্ঘদিন মাদক কারবারে জড়িত ছিলেন। পরিত্যক্ত হ্যাচারিতে ছিল মাদকাসেবীদের আড্ডা। সেখানে প্রতিরাতে মাদকের আসর বসত। ধারণা করা হচ্ছে, মাদকসংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

তবে নিহতের স্ত্রী রাশেদা বেগমের দাবি, বশির একজন জেলে। আমরা অন্যের জমির পাহারাদার হিসেবে বাস করছি। মাদক বা অবৈধ কারবারের সাথে কখনো জড়িত ছিলেন না বশির। ঘটনার আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি থেকে খাবার খেয়ে বের হন তিনি। পরে মধ্যরাতে এলাকাবাসীর মাধ্যমে তার স্বামী নিহত হওয়ার খবর পায়। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারেননি তিনি।

পৌরসভার স্থানীয় কাউন্সিলর এম এ মনজুর বলেন, বশির একজনের জমিতে বাস করত। ওই জমি ছিল ঝামেলাহীন। সাগর থেকে পোনা আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করা বশিরের কারো সাথে দ্বন্দ্ব থাকার কথা নয়। যেখানে তার মরদেহ পাওয়া গেছে সেটা মাদকের আড্ডাখানা হিসেবে পরিচিত। তাই তার মৃত্যু রহস্যঘেরা।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নাজমুল হুদা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল তৈরির পর লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছে। নিহতের কপালে একটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে কি-না তা ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে। পুলিশের পাশাপাশি সিআইডির একটি টিম হত্যারহস্য উদঘাটনে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়