প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ-২০২৩ এ বাংলাদেশের কাছে হেরে বিশ্বকাপ শুরু করেছিল আফগানিস্তান। পরের ম্যাচটি হারে ভারতের বিপক্ষে। এরপর ৫ ম্যাচে ৪ জয় তুলে বিস্ময় জাগানোর সঙ্গে সেমিফাইনালের দৌড়ে নাম লিখিয়েছিল তারা। তবে অস্ট্রেলিয়ার কাছে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করে সুযোগ হারায় আফগানরা।
শুক্রবার (১০ নভেম্বর) লিগ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে বিশ্বকাপ মিশন শেষ করল আফগানিস্তান।
আহমেদাবাদে আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের অপরাজিত ৯৭ রানের কল্যাণে ২৪৪ রান তোলে আফগানিস্তান। রসি ফন ডার ডুসেনের অপরাজিত ৭৬ ও কুইন্টন ডি ককের ৪১ রানের সুবাদে ৫ উকেট ও ১৫ বল হাতে রেখে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয়ে ৯ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থান শক্ত করল তারা।
২৪৫ রান তাড়ায় নেমে উদ্বোধনি জুটিতে ৬৪ রান তোলেন ডি কক ও তেম্ব বাভুমা। ২৩ রানে অধিনায়ক বাভুমা আউট হলে এই জুটি ভাঙে। ২ রান পরেই ফিরে যান ডি কক। এরপর এইডেন মারক্রামের সঙ্গে ৫০ রানের জুটি ডুসেনের।
পরে মারক্রাম, হেনরিক ক্লাসেন, ডেভিড মিলাররা ইনিংস বড় করতে না পেরে ফিরে গেলেও রান তোলার কাজ চালিয়ে যান ডুসেন।
ষষ্ঠ উইকেটে অ্যান্ডিল ফেহলাকওয়াইওয়ের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য ৬৫ রানের জুটিতে নিজে অর্ধশতক করার পাশাপাশি অপরাজিত ৭৬ রানে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ডুসেন। ফেহলাকওয়াইও অপরাজিত থাকেন ৩৯ রানে।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান উদ্বোধনি জুটিতে ৪১ রান তোলে আফগানিস্তান। তবে ৫ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা।
চতুর্থ উইকেটে রহমত শাহর সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি গড়ে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন আজমতউল্লাহ।
এরপর আবার প্রোটিয়াদের ধারাবাহিক বোলিংয়ের সামনে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে আফফানিস্তান। ১৬০ রানে হারায় ৭ উইকেট। তবে একপ্রান্ত আগলে খেলা আজমতউল্লাহ ৭১ বলে তুলে নেন ব্যক্তিগত ফিফটি। রশিদ খান, নুর আহমেদদের সঙ্গে ছোট ছোট জুটিতে দলের রান দুই শ পার করেন তিনি। শেষ দিকে ব্যাট চালিয়ে খেলেন আজমতউল্লাহ, ছুঁটছিলেন শতকের দিকে। শেষে গিয়ে সমীকরণ মেলাতে পারেননি।
শেষ ৩ বলে রান নিতে না পারায় ৯৭ রানে অপরাজিত থাকেন। ১০৭ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছয় মারেন তিনি। দলের হয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন নুর আহমেদ। দক্ষিণ আফ্রিকার জেরাল্ড কোয়েটজি ৪ উইকেট নেন।


