Friday, July 3, 2026
spot_img
Homeচট্টগ্রামকুকুর লেলিয়ে হিমাদ্রি হত্যা : তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

কুকুর লেলিয়ে হিমাদ্রি হত্যা : তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

চট্টগ্রামে ২০১২ সালে এ লেভেল শিক্ষার্থী হিমাদ্রি মজুমদার হিমু হত্যা মামলার রায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে দুইজনকে জনকে খালাস দেয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেচ ডেথ রেফারেন্স (ট্রায়াল কোর্টের নথি) এবং নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আসামিদের আপিল শুনানি শেষে এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা তিন আসামি হলেন জাহিদুর রহমান শাওন, জুনায়েদ আহমেদ রিয়াদ ও মাহবুব আলী ড্যানি। তাদের মধ্যে শাওন জামিন নিয়ে এবং রিয়াদ মামলার শুরু থেকেই পলাতক। জজ আদালতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া শাহ সেলিম টিপু ও শাহাদাত হোসেন সাজুকে খালাস দিয়েছে হাইকোর্ট।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. হারুন অর রশীদ, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ আহমদ হিরু, মিজানুর রহমান খান, মো. আলতাফ হোসেন আমানী ও হুমায়ূন কবির। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. আহসান উল্লাহ, মোহাম্মদ ইয়াছির সিকদার, মো. কামাল পারভেজ।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় ২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল বন্দরনগরীর পাঁচলাইশ এলাকার সামারফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে থেকে হিমুকে ধরে নিয়ে যায় আসামি শাওন, রিয়াদসহ কয়েকজন। আসামিরা তাকে ধরে গরীর পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ‘ফরহাদ ম্যানশন’ নামে ১০১ নম্বর বাড়ির চারতলায় নিয়ে যায়। ওই বাড়ির মালিক ছিলেন রিয়াদের বাবা ব্যবসায়ী শাহ সেলিম টিপু।

পরে সেখানে আটকে রেখে মারধরের পর হিংস্র কুকুর লেলিয়ে ও ধাক্কা দিয়ে তাকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয় আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার ২৬ দিন পর ওই বছরের ২৩ মে মৃত্যু হিমুর হয় হিমুর। নিহত হিমু পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ইংরেজি মাধ্যমের সামারফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘এ’ লেভেলের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওই ঘটনায় হিমুর মামা প্রকাশ দাশ বাদী হয়ে শাওন, রিয়াদ, সাজু, ড্যানি ও রিয়াদের বাবা ব্যবসায়ী শাহ সেলিম টিপুকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।২০১৬ সালের ১৪ অগাস্ট চাঞ্চল্যকর এ মামলার পাঁচ আসামির সবাইকে মৃত্যুদণ্ড দেন চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলাম। পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের নিয়ম অনুযায়ী ওই বছরই মামলার সব নথিপত্র আসে হাইকোর্টে। এদিকে দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে আপিল করেন আসামিরা। দীর্ঘদিন পর এ মামলার শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় দিল হাইকোর্ট।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়