প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
টোল নিয়েই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু করতে চায় সিডিএ। আগামী মাসের মধ্যে অস্থায়ী দুটি টোল প্লাজার নির্মাণ কাজ শেষ হলে টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল শুরু করা হবে। ইতোমধ্যে সিডিএ বিভিন্ন হারের টোল আদায়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব করেছে।
সিডিএর প্রস্তাবিত টোলে মোটরসাইকেল দূরত্ব ভেদে ১০ ও ১৫ টাকা, সিএনজি টেক্সি ২০ ও ৩০ টাকা, প্রাইভেটকার ৮০ টাকা, জিপ ও মাইক্রোবাস ১০০ টাকা, মিনিবাস ২০০ টাকা, বড় বাস ২৮০ টাকা, পিকআপ ১৫০ টাকা, চার চাকার ট্রাক ২০০ টাকা, ৬ চাকার ট্রাক ৩০০ টাকা এবং কাভার্ড ভ্যান ও ট্রেইলরের জন্য ৪৫০ টাকা টোল প্রস্তাব করা হয়েছে। টোলের ব্যাপারটি চূড়ান্ত এবং পতেঙ্গা প্রান্তের নির্মাণাধীন অস্থায়ী টোল প্লাজার নির্মাণ কাজ শেষ হলে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যান চলাচল শুরু হবে।
মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর টোল নির্ধারিত হলে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পৃথক পয়েন্টের জন্য পৃথক হারে টোল আদায় করা হবে। তবে সবগুলো র্যাম্প নির্মাণের পর টোল আদায়ের পুরো প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইতোমধ্যে একাধিক র্যাম্প নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অবকাঠামোর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ২শ ৯৮ কোটি টাকা। বর্তমানে লাইটিং, সিসিটিভি, রিটেইনিং ওয়ালসহ টুকটাক কিছু কাজ চলছে। এক্সপ্রেসওয়েতে ওঠানামার জন্য নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ১৫টি র্যাম্প থাকছে। সাড়ে ১৬ কিলোমিটার মূল অবকাঠামোর সাথে র্যাম্পসহ দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার।
টাইগারপাসের আমবাগান সড়কে নামার র্যাম্প নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। লালখান বাজার থেকে ওঠার র্যাম্পের কাজও শেষ পর্যায়ে। পতেঙ্গা অংশে নামার কাজ শেষ। তবে লাইটিং ও সিসিটিভিসহ নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কাজগুলো পুরোপুরি শেষ হয়নি। তবে ইচ্ছে করলে টাইগারপাস বা লালখান বাজার থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে দিনের বেলা যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
তবে সিডিএ টোল আদায়ের মাধ্যমে এক্সপ্রেসওয়ের যান চলাচল শুরু করতে চায়। সিডিএর সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, একবার টোল ছাড়া গাড়ি চলাচল শুরু হলে পরে টোল নেওয়া কঠিন হবে। শুরুতে শুধু লালখান বাজার বা টাইগারপাস থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত টোল নেবে সিডিএ। পরে সবগুলো র্যাম্প নির্মাণ শেষ হলে সাড়ে এক্সপ্রেসওয়ের ৬টি পয়েন্টে টোল আদায়ের ব্যবস্থা করা হবে। দূরত্ব এবং যানবাহন ভেদে পৃথক হারে টোল আদায় করা হবে। খবর সূত্র আজাদী।
প্রকল্প পরিচালক এবং সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান বলেন, আমাদের মূল অবকাঠামোর কাজ প্রায় শেষ। স্পিডব্রেকারসহ কিছু সেফটি ইকুইপমেন্ট স্থাপন না করা পর্যন্ত যান চলাচল শুরু করা ঠিক হবে না।


