প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকায় গোড়ালি থেকে হাঁটুসমান পানি জমেছে। জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তাঘাটে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে পতেঙ্গায়। এর সঙ্গে পাহাড়ি ঢল, কর্ণফুলীর জোয়ার মিলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। বিশেষ করে পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, মোহরা ইত্যাদি এলাকার মানুষ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের পতেঙ্গা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এর আগের ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৮২ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। কোনো এলাকায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হলে তাকে অতি ভারী বৃষ্টি বলে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা জানান, নগরের কয়েকটি এলাকায় পানি জমে থাকার খবর পেয়েছেন। দুই দিন ধরে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। আজ সকালে জোয়ারও যুক্ত হয়েছে। এ কারণে এসব এলাকায় পানি জমেছে। নালা ও খাল পরিষ্কার থাকায় পানি দ্রুত নেমে যাচ্ছে। তবে নগরের জলাবদ্ধতাপ্রবণ বেশ কিছু এলাকায়, যেমন মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, দুই নম্বর গেট এলাকায় পানি ওঠার খবর পাননি।
তিন দিন ধরে চট্টগ্রামে বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত টানা বৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় নগরের অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নগরের বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, কাপাসগোলা, ফরিদার পাড়া, চান্দগাঁও, চকবাজারের তেলেপট্টি গলি, কাট্টলীর ঈশান মহাজন সড়ক, হালিশহরের কে ও এল ব্লকের সোনালি আবাসিক, বসুন্ধরা আবাসিক , রামপুর, আনন্দীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জে হাঁটুপানি রয়েছে। গাছ ভেঙে পড়েছে ঈশান মহাজন সড়কে। গাড়ি চলাচল বন্ধ রয়েছে সড়কটিতে।


