প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
বান্দরবানের তমব্রু সীমান্তে বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সঙ্গে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনি বলেন, ‘বিজিবি আমাদের কাছ থেকে যে সহযোগিতা চাইবে, আইনিভাবে আমরা সেই সহযোগিতা দেব।’
রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামে ডাঙ্গারচর নৌ তদন্ত কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সামরিক জান্তা বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী গ্রুপের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। এই লড়াইয়ের মধ্যে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ১৪ সদস্য আজ পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের অস্ত্র ও গুলি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) হেফাজতে রাখা হয়েছে।
এদিকে সকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে সীমান্তে এক বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তার ডান হাতে গুলি লেগেছে। অপরদিকে গতকাল রাতে তুমুল সংঘর্ষের মধ্যে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে রকেট লান্সার এসে পড়ে। এ ছাড়া সীমান্তের ওপারে সংঘর্ষের ঘটনায় গোলা এসে পড়লে বাইশফাঁড়ি এলাকায় নুরুল কবীরের বাড়িতে আগুন ধরে যায়।
‘পুলিশ হেফাজতে’ বডি বিল্ডার ফারুকের মৃত্যুর বিষয়ে শুনেননি আইজিপি
বংশাল থানায় ‘পুলিশ হেফাজতে’ বডি বিল্ডার ফারুক হোসেনের মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে আইজিপি বলেন, ‘এটা আমি প্রথম শুনলাম। এজন্য বিস্তারিত বলতে পারছি না।’
তবে এমন ঘটনায় কারও দায় থাকলে তার ছাড়া পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেকোনো মৃত্যুই অনাকাঙ্ক্ষিত। পুলিশ হেফাজতে যদি কারও মৃত্যু হয়, এটার একটা প্রটোকল আছে। তা হলো- সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল, ময়নাতদন্ত করা হয়ে থাকে। ডাক্তারের মতামত, সুরতহাল প্রতিবেদন, পোস্টমর্টেমের ভিত্তিতে যে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সে ব্যবস্থাই নেওয়া হয়। এখান থেকে বিচ্যুত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কাউকে ছাড় দেওয়ার নীতি আমরা অবলম্বন করি না। যে দায়ী হবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি।’
আইজিপি আরও বলেন, ‘আমাদের বাহিনীর সদস্যরা পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। পেশাদারত্বের দিক থেকে আমরা এক ঈর্ষণীয় পর্যায়ে অবস্থান করছি। যুগের চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ বাহিনীকে আরও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারও প্রতিনিয়ত আমাদের সহযোগিতা করছে।’
গত ১৫ জানুয়ারি বংশাল থানা পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান বডি বিল্ডার ফারুক হোসেন। ফাঁড়িতে নির্যাতনে ‘মিস্টার বাংলাদেশ’ খ্যাত বডি বিল্ডার ফারুক হোসেনের মৃত্যু হয়েছে- এমন অভিযোগে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে মামলা করেছেন ফারুকের স্ত্রী ইমা আক্তার হ্যাপী। মামলাটি তদন্ত করে ২৮ মার্চ প্রতিবেদন দিতে গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।


