Homeএই মুহুর্তেইরান উত্তেজনার মধ্যেই সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

ইরান উত্তেজনার মধ্যেই সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সিরিয়া থেকে তাদের অবশিষ্ট সেনাদের বড় অংশ প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, সিরিয়ার ভেতরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের নেতৃত্ব এখন দেশটির সরকারই দেবে এবং সেখানে ‘বৃহৎ পরিসরে’ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির আর প্রয়োজন নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ২০১৫ সাল থেকে সিরিয়ায় মোতায়েন রয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছেন, তখনই সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত সামনে এলো।

শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার, তবে প্রস্তুত থাকবে যুক্তরাষ্ট্র

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তা জানান, সিরিয়ায় অবস্থানরত প্রায় এক হাজার সেনা প্রত্যাহার শর্তসাপেক্ষ রূপান্তর প্রক্রিয়ার অংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটির যেকোনো হুমকির জবাব দিতে প্রস্তুত থাকবে।

খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। এমন সময় এ তথ্য সামনে আসে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে—বিশেষ করে ইরানের নিকটবর্তী এলাকায়— যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাড়ছে সামরিক উপস্থিতি

বিবিসি ভেরিফাই নিশ্চিত করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ইরানের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। রণতরীটিতে গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ও অসংখ্য যুদ্ধবিমান রয়েছে।

অন্যদিকে বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ হিসেবে পরিচিত ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকেও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে, যা আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে সেখানে পৌঁছানোর কথা।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প বলেছেন শনিবার থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার জন্য প্রস্তুত থাকবে, যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

চলতি বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের আল তানফ গ্যারিসন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আল শাদ্দাদি ঘাঁটি ত্যাগ করেছে।২০২৪ সালে আসাদ সরকারের পতন এবং সিরিয়ায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতির ফলে আইএসআইএস দুর্বল হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

এরপর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন দামেস্কের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং সিরিয়ার সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। গত নভেম্বরে আল-শারা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যা সিরিয়ার কোনো নেতার জন্য এ ধরনের প্রথম সফর।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়