বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬
spot_img
Homeসংবাদযে কারণে সৌদি যুবরাজের মন জয় করছে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র

যে কারণে সৌদি যুবরাজের মন জয় করছে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়মুক্তি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি আজ শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে খুন হয়েছিলেন ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা বলেছিলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাঁদের সন্দেহ, সৌদি যুবরাজের নির্দেশেই জামাল খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে।

আজ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আইনি রীতি অনুসরণ করে ‘রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রযোজ্য’ দায়মুক্তি তাঁকেও দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে মামলার ভিত্তি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

এ খবর প্রকাশের পর খাসোগির সাবেক বাগ্‌দত্তা হ্যাটিস চেঙ্গিস এক টুইটার পোস্টে লিখেছেন, ‘এই রায়ের ফলে আজ আবার জামালের মৃত্যু হলো।’

এর আগে জামাল খাসোগিকে হত্যার জন্য হ্যাটিস চেঙ্গিস সৌদি যুবরাজের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিলেন।

যুবরাজ মোহাম্মদকে তাঁর পিতা বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ২০১৭ সালে ‘ক্রাউন প্রিন্স’ হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। ৩৭ বছর বয়সী মোহাম্মদ বিন সালমান এ বছরের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি সব সময়ই জামাল খাসোগি হত্যার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের আইনজীবীরা বলেছেন, ‘বিদেশি সরকারের প্রধান হিসেবে ক্রাউন প্রিন্স মার্কিন আদালতের এখতিয়ার থেকে দায়মুক্তি ভোগ করবেন। রাষ্ট্রপ্রধানের দায়মুক্তির মতবাদ আন্তর্জাতিক আইনে সুপ্রতিষ্ঠিত।’

তবে বাইডেন প্রশাসন বলেছে, এই রায় সৌদি প্রিন্সের নির্দোষ থাকা প্রমাণ করে না। হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের একজন মুখপাত্র একটি লিখিত বিবৃতিতে বলেছেন, ‘প্রথাগত আন্তর্জাতিক আইনের সুপ্রতিষ্ঠিত নীতির অধীনে স্টেট ডিপার্টমেন্ট সিদ্ধান্তটি নিয়েছে।’

বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, সৌদি আরবের শাসকগোষ্ঠীর তীব্র সমালোচক ছিলেন সাংবাদিক জামাল খাসোগি। তিনি মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টে এ নিয়ে কলাম লিখতেন। ২০১৮ সালে বাগ্‌দত্তা হ্যাটিস চেঙ্গিসকে বিয়ে করাসংক্রান্ত কাগজ আনতে সৌদি দূতাবাসে গিয়েছিলেন জামাল। এরপর আর কখনোই সেখান থেকে বের হননি তিনি।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়