Wednesday, July 1, 2026
spot_img
Homeখেলাধুলানকআউট ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল এমবাপ্পের, ধারেকাছে নেই মেসি

নকআউট ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল এমবাপ্পের, ধারেকাছে নেই মেসি

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে করে নিচ্ছেন ফ্রান্সের ১০ নম্বর জার্সিধারী কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর তা করছেন অবিশ্বাস্য গতিতে।

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে খেলা ২৮ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ড মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাউন্ড অব ৩২-র এর খেলায় সুইডেনের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন। তার এই জোড়া গোলের ওপর ভর করেই সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে দেয় ফ্রান্স।

এই জোড়া গোলের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গেছেন ফ্রান্স অধিনায়ক। বিশ্বকাপে এখন তার মোট গোল সংখ্যা ১৮টি।

একই সঙ্গে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচগুলোতে এমবাপ্পের মোট গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০-এ, যা তাকে এই তালিকায় এককভাবে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছে।

নকআউট পর্বের সেরা গোলদাতারা

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ১০টি গোল করে এমবাপ্পে ব্রাজিলের দুই কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও এবং লিওনিদাসকে ছাড়িয়ে গেছেন, যাদের প্রত্যেকের নকআউট গোল সংখ্যা ছিল ৮টি। তালিকায় তাদের ঠিক পরেই আছেন ফ্রান্সের জাস্ত ফন্তেইন এবং ব্রাজিলের পেলে, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে যাদের গোল সংখ্যা ৭টি করে।

এদিকে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা (১৯টি গোল) লিওনেল মেসি হলেও, নকআউট পর্বের লড়াইয়ে তিনি কিছুটা পিছিয়ে। নকআউট ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা মাত্র ৫টি। অন্যদিকে, তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নামের পাশে বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো নকআউট গোল নেই, যা বেশ চমকপ্রদ।

চলতি বিশ্বকাপে এটি ছিল এমবাপ্পের ষষ্ঠ গোল, যার ফলে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনি আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসিকেও ছুঁয়ে ফেলেছেন।

সুইডেনের জমাট রক্ষণভাগের বিরুদ্ধে এমবাপ্পের গোল করার দারুণ দক্ষতা পুরো ম্যাচে ফুটে উঠেছে। মাইকেল অলিসের চমৎকার তিনটি অ্যাসিস্টের ওপর ভর করে এমবাপ্পে তার ট্রেডমার্ক গতি ও নিখুঁত ফিনিশিংয়ে দুবার বল সুইডেনের জালের ডান কোণ দিয়ে জড়িয়ে দেন।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশম বলেন, ‘আমরা চোখের সামনে ফুটবল ইতিহাস তৈরি হতে দেখছি। কিলিয়ান ম্যাচের আগে রেকর্ডের দিকে তাকায় না; সে তাকায় মাঠের ফাঁকা জায়গার দিকে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তার ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করার ক্ষমতা তাকে একদম অন্য স্তরে নিয়ে গেছে।’

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিলকে ৩-০ ব্যবধানে হারানোর পর বিশ্বকাপের নকআউট ম্যাচে এটিই ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় জয়। এই জয়ের ফলে আগামী ৪ জুলাই রাউন্ড অব ১৬-এর ম্যাচে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। টাইব্রেকারে জার্মানিকে স্তব্ধ করে দিয়ে শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে লাতিন আমেরিকার দেশটি।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়