প্রাইম ভিশন ডেস্ক
বুধবার ( ১২ আগস্ট) এই রেকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন (রোল আউট) করা হবে।
বাংলাদেশের বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় কোচের ছাদ কাঠামো আরও শক্তিশালী করা হয়েছে, যাতে অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে পারে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকেও এসব কোচে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। ইউরোপীয় মানদণ্ড অনুযায়ী দুর্ঘটনায় যাত্রী নিরাপত্তা বাড়াতে ‘ক্র্যাশওয়ার্দি ডিজাইন’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এজন্য কোচের বডি শেল কাঠামো নতুনভাবে নকশা করা হয়েছে।
এলএইচবি কোচগুলোর বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বাংলাদেশ রেলওয়ের উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ভারতীয় রেলওয়ের প্রচলিত কোচে ৭৫০ ভোল্ট ব্যবহৃত হয়, সেখানে বাংলাদেশের জন্য তৈরি এসব কোচে ৪১৫ ভোল্ট অপারেশন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে ও কাপুরথালা রেল কোচ ফ্যাক্টরির সহযোগিতা শুরু হয় ২০১৫-১৬ সালে। ওই সময়ে বাংলাদেশকে ১২০টি এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সরবরাহ করা হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে রাইটসের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ে আবারও কাপুরথালা রেল কোচ ফ্যাক্টরিকে ২০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ তৈরির দায়িত্ব দেয়। সাতটি ভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে এসব কোচ সরবরাহ করা হবে।


