প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ব্যবহার বাড়াতে নগরীর জিইসি এলাকায় একটি র্যাম্প নির্মাণ করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স ও চীনা প্রতিষ্ঠান র্যাঙ্কিন যৌথভাবে এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ করছে। তবে কোনপ্রকার নিরাপত্তাব্যবস্থা না রেখেই জিইসি থেকে ওয়াসা মোড় পর্যন্ত চলছে র্যাম্প নির্মাণের কাজ।
এমন ব্যস্ততম সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে নির্মাণকাজ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নগরবাসী। যেখানে নিরাপত্তাব্যবস্থা না রেখে নির্মাণকাজ করলে সিডিএ জরিমানা করে, সেখানে নিজেরাই এমন কাজ কীভাবে করছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন পথচারীরা।
সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম বলেন, সিডিএ সবসময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই নির্মাণকাজ করে থাকে। তারপরও এ বিষয়ে আমি খোঁজ নিচ্ছি। র্যাম্পের কাজে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, লালখানবাজার সংলগ্ন এলাকার বাওয়া স্কুলের পাশে র্যাম্পের উপর কাজ করছেন ছয়-সাতজন শ্রমিক। উপরে নির্মাণকাজ চললেও র্যাম্পের নিচে নিরাপত্তার কোন ব্যবস্থা নেই।
শুধুমাত্র বাংলাদেশ মহিলা সমিতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের (বাওয়া) সামনের কিছু অংশে নিরাপত্তাবেষ্টনী দেয়া হয়েছে। বাকি পুরো র্যাম্পের নিচে খোলা।
যেখানে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থীসহ শতশত পথচারী রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন। এছাড়াও প্রতিনিয়ত যানবাহন চলাচল করছে। এমন ব্যস্ততম সড়কে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা ছাড়া নির্মাণকাজে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাওয়া স্কুলের একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে র্যাম্পের কাজ করছে। প্রায়সময় দেখা যায়, ওয়েল্ডিং করার সময় উপর থেকে ওয়েল্ডিংয়ের আগুনের ফুলকি নিচে পড়ে। এছাড়া উপর থেকে কোন নির্মাণসামগ্রী নিচে পড়লে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া এভাবে কাজ চলতে পারে না।


