রবিবার, মে ১০, ২০২৬
spot_img
Homeবাণিজ্যবন্ধকি সম্পত্তি ডিপোজেটোরি সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

বন্ধকি সম্পত্তি ডিপোজেটোরি সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

ভবিষ্যতে ‘মর্টগেজ প্রোপার্টি ডিপোজেটোরি’ ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) গভর্নর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

এতে করে, ভবিষ্যতে ব্যাংকগুলো ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করার সময় বন্ধকীগুলো নিবন্ধিত কিনা এবং এ বন্ধকী সম্পদ ব্যবহার করে অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে কিনা—সেটা যাচাই বাছাই করতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে একটি বন্ধকী একাধিক ব্যাংকে দেখিয়ে ঋণ নেওয়ার মতো অনিয়মের চর্চা বন্ধ করা যাবে বলে মনে করেন গভর্নর।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, “একটা মর্টগেজ পাঁচটা ব্যাংকে দেখানো যাবে না। যদি দেখানো হয়, তাহলে সেটা ব্যাংককে জানাতে হবে যে এ মর্টগেজ আরেক জায়গায় দেখানো হয়েছে। বন্ধকী সম্পর্কে ব্যাংকে সঠিক তথ্য দিতে হবে। প্রত্যেক মর্টগেজ রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ থাকতে হবে।”

গভর্নর বলেন, “তাই কোন ব্যাংক যখন কোন সম্পত্তি বন্ধক হিসাবে নিতে যাবে, তখন যাচাই-বাছাই করতে হবে যে এটা ইতোমধ্যে মর্টগেজ করা আছে কিনা। আবার মর্টগেজ করার পর স্বাধীনভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ভেরিফাইড করা হবে যে, সম্পদের অ্যাসেস ভ্যালু যা দেখানো হয়েছে, সেটা সঠিক কিনা। এটা আমরা বড় লোনের জন্য করতে যাচ্ছি। এটা করতে সময় লাগবে, তবে আমরা মনে করি এটা করতে পারলে ঋণ ব্যবস্থায় যে দুর্বলতা রয়েছে, সেটা অনেকটা ঠিক করা যাবে।”

আসন্ন নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম স্থবির থাকা উচিত নয় বলে মনে করেন গভর্নর। তিনি বলেন, এখানে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই। আমি মনে করি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক হচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠান—নাগরিকদের সেবা দেওয়ার প্রতিষ্ঠান।

ড. মনসুর বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক গত এক বছরে যা কাজ করেছে, তা গত ২৪ বছরে করেছে কিনা—সেটা বলেন। নানান ধরনের সার্কুলার, সংস্কার ও স্ট্রিম লাইনিং প্রোসিডিউরের মাধ্যমে কাজ করা হচ্ছে।”

তিনি বলেন, “বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ও ফরওয়ার্ড মার্কেটকে আরো উন্নতি করতে হবে। তাছাড়া ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্ট নিয়ে সামনে কাজ করতে হবে। প্রায়োরিটি কোথায়, সেটা বুঝে আমাদের কাজ করতে হবে।”

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে কবে নাগাদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে, এ বিষয়ে গভর্নর বলেন, “অর্থ মন্ত্রণালয়কে এ প্রশ্ন করতে হবে। কারণ আমরা ইন্টারভিউ করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। নীতি সহায়তা ফাইল সবগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক ক্লিয়ার করে দিবে।”

গভর্নর বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কারণ যখন রেজ্যুলেশন করা হয় তখন ব্যাংকের মালিকও থাকে না, বোর্ডও থাকে না। তখন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এটা নিয়ন্ত্রণ করবে। সব কাজ তখন সেখানেই বর্তাবে। তবে দ্রুত এমডি নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।”

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়