প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
‘হাওয়া’ সিনেমায় অভিনয়ের পর যেন সত্যি সত্যিই হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিলেন নাজিফা তুষি। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটির পর বড় পর্দা তো বটেই, ওটিটিতেও তুষিকে দেখা যায়নি। মাঝে মেজবাউর রহমান সুমনের সিনেমা রইদ ও আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ সাদের একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করলেও কোনোটিই মুক্তি পায়নি।
অবশেষে ‘সখী রঙ্গমালা’ নিয়ে ফিরছেন তিনি। এখানে তিনিই ‘রঙ্গমালা’। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ‘চন্দ্রাবতী কথা’র নির্মাতা এন রাশেদ চৌধুরী। জানা গেছে আঠারো শতকের নোয়াখালীর জমিদার পরিবারের এক নারীর জীবন ও সংগ্রাম নিয়ে লেখা শাহীন আখতারের উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। সরকারি অনুদানের ছবিটির প্রথম ধাপের শুটিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। জুনে দ্বিতীয় লটের কাজ শুরু হবে। সিনেমাটি নিয়ে নাজিফা তুষি বলেন, ‘প্রায় দুইশ বছর আগের ঐতিহাসিক পটভূমিকায় এ কাজটি করতে গিয়ে ভেতর থেকে একটা তাগিদ অনুভব করেছি। মনে হয়েছে, এই চরিত্রটা আমাকে করতেই হবে। নোয়াখালীর জমিদার পরিবারকে ঘিরে গল্প, আর আমি নিজেও নোয়াখালীর মানুষ- এই যোগসূত্রে একটা আত্মিক টান কাজ করেছে। আর এত গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ চরিত্রের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য খুব আনন্দের ও গর্বের। সব মিলিয়ে এই অভিজ্ঞতা দারুণভাবে উপভোগ করছি।’
তুষির পাশাপাশি ছবিতে আছেন স্বর্ণালী চৈতি, প্রান্তর দস্তিদার, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, তৌফিকুল ইমন, শিল্পী সরকার অপু প্রমুখ। সিনেমাটি নিয়ে প্রান্তর দস্তিদার জানান, এমন বড় পরিসরের কাজে যুক্ত হয়ে তিনি খুবই রোমাঞ্চিত। ‘সখী রঙ্গমালা’র জন্য ঘোড়ায় চড়াসহ অনেক কিছু রপ্ত করতে হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তি দিতে চান নির্মাতা। এর আগে নিজের কাজের সংখ্যা কম প্রসঙ্গে তারকা অভিনেত্রী তুষি বলেন, আমি নিজেও মাঝেমধ্যে এটা ভাবি, কাজের সংখ্যা কম। কিন্তু আমি তো নাটকে অভিনয় করি না। সিনেমা ও ওটিটির কাজ করি। সে কারণে কাজের সংখ্যা কিছুটা কম। কাজের একটা ধারাবাহিকতা থাকা দরকার। তবে ভবিষ্যতে হয়তো দর্শক নিয়মিত আরও ভালো কাজ পাবেন, সেই চেষ্টা করব।


