প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত হিট স্ট্রোকে ৮ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৯ এপ্রিল বোয়ালখালী উপজেলায় সাফা নামের ছয় মাস বয়সী এক কন্যা শিশুর মৃত্যু ঘটে।
সে পশ্চিম শাকপুরা ২নম্বর ওয়ার্ড আনজিরমারটেক সৈয়দ আলমের নতুন বাড়ির মো. নিজাম উদ্দীনের মেয়ে। চিকিৎসকরা ধারণা করছেন সে হিটস্ট্রোকে মারা গেছে। একই দিন হিটস্ট্রোকে শাহজাদা ছালেহ আহমদ শাহ (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। তিনি রায়পুর ইউনিয়নের উত্তর পরুয়াপাড়া এলাকার হজরত আহমদ হাসানের ছেলে।
২১ এপ্রিল পটিয়া উপজেলার হাঈদগাঁও ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিম তালুকদারের বড় ছেলে জয়নুল আবেদীন দিদার (৫৮) হিটস্ট্রোকে মারা গেছেন । একই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সামশুল আলম (৭০) হিট স্ট্রোকে মারা যান।
২২ এপ্রিল কর্নেলহাট শ্যামলী বাস কাউন্টারের সামনে হিটস্ট্রোকে শুকুর আলী নামের এক যুবক টেম্পোর মধ্যে মারা গেছেন।
২৫ এপ্রিল চট্টগ্রামের আনোয়ারায় রোশমিয়া জেবিন (১৬) নামের এক স্কুলছাত্রীর হিট স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পর সে মারা যায়। হিট স্ট্রোকে ওই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারকে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
২৬ এপ্রিল পটিয়ায় হিট স্ট্রোকে মোজাম্মেল হক (৭৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড মাঝের ঘাটার বাসিন্দা।
২৮ এপ্রিল সকালে মিরসরাইয়ে মঘাদিয়া ইউনিয়নে প্রচণ্ড গরমে মাথা ঘুরে পড়ে জাহাঙ্গীর আলম (৫৩) নামে এক ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মারা গেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি হিট স্ট্রোকে মারা গেছেন। জাহাঙ্গীর আলম মঘাদিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জাফরাবাদ গ্রামের কামাল চেয়ারম্যান বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের পুত্র।
২৮ এপ্রিল কালুরঘাট ফেরিতে মো. মোস্তাক আহমেদ কুতুবী আলকাদেরী নামে মাদ্রাসার এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বোয়ালখালীর খিতাপচর আজিজিয়া মাবুদিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক। চিকিৎসকদের ধারণা, হিট স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। সূত্র : আজাদী।


