প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬-১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিতরণ সংস্থাগুলো। তবে পাইকারি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি হলে সেটিও ওই বাড়তি দামের সঙ্গে যোগ করার আবেদন করেছে তারা। এছাড়া বেসরকারি স্কুল-কলেজ, হাসপাতালের ক্রস-সাবসিডি তুলে বাণিজ্যিক শ্রেণীর আওতায় নেয়ার প্রস্তাব দেয় কিছু বিতরণ কোম্পানি।
এই প্রস্তাব নিয়ে আজ বৃহস্পিতবার সকাল থেকে ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে গণশুনানি করছে বাংলাদেশ এনার্জী রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যেখানে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র বিরোধীতা করে তা প্রত্যাখান করেন রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, ভোক্তা অধিকার সংগঠনসহ অংশীজনরা।
বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের দায় গ্রাহকের কাঁধে চাপানো হচ্ছে এমন অভিযোগ তুলে তারা বলছিলেন, মূল্যবৃদ্ধির কোন যৌক্তিকতা নেই। বরং এ খাতে অনিয়ম-দূর্ণীতি আর অপচয় রোধ করা গেলে বিদ্যুতের দাম উল্টো কমানো সম্ভব।
এর আগে গতকাল বুধবার শুনানীতে প্রতি ইউনিট পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। আর পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জ প্রতি ইউনিট ১৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যুৎয়ের পাইকারি দর বাড়ানো হয়। গণশুনানিতে উপস্থিত আছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, সদস্য (অর্থ, প্রশাসন, আইন) মতো আবদুর রাজ্জাক, সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (বিদ্যুৎ) মোহাম্মদ শাহিদ সারওয়ার, সদস্য (পেট্রোলিয়াম) সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া প্রমুখ।


