প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
নগরের ফ্লাইওভার নিরাপদ রাখতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। একইসঙ্গে ফ্লাইওভার থেকে নামার পথে বসানো ইলেকট্রনিক্স বিলবোর্ডগুলো সরিয়ে নেয়ারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ফ্লাইওভারে একের পর এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পর সিএমপির পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হলো। গত ২৩ আগস্ট আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার সরেজমিনে পরিদর্শনে যান সিএমপির ট্রাফিক পুলিশ এবং চসিকের কর্মকর্তারা। এ সময় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ফ্লাইওভারগুলো নিরাপদ রাখতে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনাসহ ৮ দফা সুপারিশ করে সিএমপি।
সুপারিশগুলো হলো— ফ্লাইওভারে বিদ্যমান স্পিডব্রেকার অপসারণ করে প্রয়োজনে ঝিকঝাক স্থাপন অথবা স্পিডব্রেকারগুলো কমিয়ে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কিছুটা সমান্তরাল করা, উল্টো পথে মোটরসাইকেল ও ছোট গাড়ি আসতে না পারে সেজন্য সেনা কল্যাণ পেট্রোল পাম্পের দিক থেকে ফ্লাইওভারে উঠার মুখের অংশে অবিলম্বে মিড-ডিভাইডার স্থাপন করা, ফ্লাইওভারে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা, হাইওয়ে রোডের মতো ফ্লাইওভারের পাশে রাতের বেলা জ্বল জ্বল করে এমন রং ব্যবহার করা, স্পিডব্রেকারগুলোতে ইলুমিনেটিং কালার ব্যবহার করা যাতে রাতের বেলায় চারপাশ দেখা যায়, নগরের গুরুত্বপূর্ণ জিইসি মোড়ে স্থাপিত ফুডপান্ডা মিড-আইল্যান্ডটি আকৃতিতে ছোট করে গোল চত্বর আদলে তৈরি করা, পাশাপাশি সেন্ট্রাল প্লাজার দেয়ালে স্থাপিত ইলেকট্রনিক্স বিলবোর্ডগুলো সরিয়ে নেওয়া।
জানা গেছে, চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছাড়া চারটি ফ্লাইওভার রয়েছে। সেগুলো হলো, বহদ্দারহাট ফ্লাইওভার, কদমতলী ফ্লাইওভার, দেওয়ানহাট ফ্লাইওভার এবং আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভার।
নগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) জয়নুল আবেদীন জানান, নগরের ফ্লাইওভারগুলোতে দুর্ঘটনা বাড়ছে। বুধবার চসিকের প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে সরেজমিনে ফ্লাইওভার ঘুরে দেখা হয়। এ সময় দুর্ঘটনার কারণগুলো চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে তা সমাধানের জন্য অনুরোধ করা হয় এবং আটটি সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও সমস্যার বিষয়ে একমত পোষণ করে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।


