প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
জন্ম ক্যামেরুনের রাজধানী ইয়াউন্দেতে। জীবনের নানা বাঁকবদলে ক্যামেরুন থেকে ফ্রান্স ঘুরে থিতু হয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডে। ফুটবলের দীক্ষাটাও সেখান থেকেই পাওয়া।
ক্যামেরুনের বিপক্ষে আজ সেই ব্রিল এমবোলোই মাঠে নেমেছিলেন, সুইজারল্যান্ডের হয়ে। মোনাকোর এই ফরোয়ার্ডের একমাত্র গোলে ক্যামেরুনকে হারিয়েছে সুইসরা। গোল করার পর চোখেমুখে যেমন অপরাধবোধ ফুটে উঠল, যেমন কাঁচুমাচু করা শুরু করলেন, তাতে মনে হতে পারে, কত বড় অপরাধই না করে ফেলেছেন এমবোলো! এই নিয়ে বিশ্বকাপে টানা আট ম্যাচ হারল ক্যামেরুন। বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে টানা ম্যাচ হারের দিক দিয়ে তাঁদের ওপরে এখন আছে শুধুই মেক্সিকো, যারা ১৯৩০ থেকে ১৯৫৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত টানা নয়টা ম্যাচ হেরেছিল।
ম্যাচে গোল মাত্র একটা হলেও, নিরপেক্ষ দর্শকদের কাছে বেশ উপভোগ্য ছিল ম্যাচটা। সুইজারল্যান্ডের পজেশনভিত্তিক ফুটবলের বিপক্ষে ক্যামেরুনের কৌশল ছিল অনেকটা লং বলনির্ভর। সে কৌশলেই শুরুতে সুইসদের একরকম চেপেই ধরেছিল ক্যামেরুন। ১০ মিনিটে ব্রায়ান এমবুয়েমোর কল্যাণে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ক্যামেরুন, তবে আটকে দেন সুইস গোলরক্ষন ইয়ান সোমের। ১৪ মিনিটে সুইস ডিফেন্ডার মানুয়েল আকাঞ্জিকে বোকা বানাতে পারলেও গোলে ভালোমত শট নিতে পারেননি বায়ার্ন স্ট্রাইকার এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মোতিং। প্রথমার্ধের একদম শেষদিকে অবশ্য এই আকাঞ্জিই গোল করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন। রেমো ফ্রয়লারের কর্নারে ঠিকমতো মাথা ছোঁয়াতে পারলে তখনই এগিয়ে যেত সুইজারল্যান্ড।
সুইসদের সে আক্ষেপ বেশিক্ষণ থাকতে দেননি এমবোলো। দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে সাবেক লিভারপুল ফরোয়ার্ড জের্দান শাকিরির সহায়তায় দলকে এগিয়ে দেন ক্যামেরুনে জন্ম নেওয়া এই স্ট্রাইকার। গোলকিপার আন্দ্রে ওনানা ছিলেন বলে রক্ষা, নয়তো ব্যবধান আরও বাড়াতে পারতেন সুইসরা।
গ্রুপের বাকি দুই দল ব্রাজিল ও সার্বিয়া খেলতে নামবে আজ রাত একটায়।


