প্রাইম ভিশন ডেস্ক »
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফ-বান্দরবান সড়ক ও পিএবি বাঁশখালীসহ চট্টগ্রাম দক্ষিণাঞ্চলের তিন জেলা ও উপজেলায় পরিবহন ধর্মঘট চলছে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
বুধবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা হতে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম-দক্ষিণাঞ্চল-কক্সবাজার-বান্দরবান জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।
ধর্মঘটের স্বপক্ষে তাদের দাবিগুলো হলো- সড়ক ও উপসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, সড়কে শৃঙ্খলা আনয়ন, বিআরটিএর অনুমোদন ছাড়া মিনিবাস চ্যাসিসকে লোকাল গ্যারেজে দ্বিতল বাসে রূপান্তর করে স্লিপার কোচ নাম দিয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফ অপ্রশস্ত রোডে চলাচল নিষিদ্ধ করা, বহিরাগত এসি ও নন-এসি বাস রুট পারমিটের শর্ত ভঙ্গ করে লোকাল রুটের যাত্রী বহনের কারণে গাড়িতে গাড়িতে অসম প্রতিযোগিতা বন্ধ করা, সড়ক-মহাসড়ক ও উপসড়কের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির জন্য দায়ী ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিকশা, টমটম ও অবৈধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করা, হাইওয়ের আইন মোতাবেক রাস্তার উভয় পাশের অবৈধ স্থাপনাসহ হাট-বাজার সরিয়ে নেওয়া, একই দেশে ঢাকা ও চট্টগ্রামে একই ট্রাফিক আইনে দ্বিগুণ জরিমানার বৈষম্য দূরীকরণ, চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট আঞ্চলিক বাস টার্মিনাল সংস্কার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ, খোলা ট্রাকে লবণ পরিবহন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, রিকুইজিশনের মাধ্যমে দুই জেলায় রুট পারমিটধারী বাস-মিনিবাস কোচ গাড়ি দেশের প্রত্যন্ত এলাকা ও উপজেলায় পাঠানোর নামে রিকুইজিশন বাণিজ্য বন্ধ, কক্সবাজার পৌর বাস টার্মিনালে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ অবিলম্বে পরিষ্কার করা।
চট্টগ্রাম-দক্ষিণাঞ্চল-কক্সবাজার-বান্দরবান জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কর্ণফুলী শাহ আমানত সেতু সংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁয় কার্য নির্বাহী পরিষদ, উপদেষ্টা ও পূর্ণাঙ্গ কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় এক প্রস্তাবে সব ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে সতর্ক থাকা, ধর্মঘট চলাকালে সড়ক ও উপসড়কে কোনো ধরনের পিকেটিং, হঠকারী কাজের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।


