Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রাম ইপিজেডে কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ২০ ইউনিট

চট্টগ্রাম ইপিজেডে কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ২০ ইউনিট

প্রাইম ভিশন ডেস্ক »

চট্টগ্রামের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (সিইপিজেড) লিংক রোডে অবস্থিত অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লি. নামক একটি তোয়ালে কারখানায় অগুন লেগেছে। কারখানার সাত তলা ভবনের ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টা ১০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ২টা ১২ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা গেছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য, সিইপিজেড, বন্দর, কেইপিজেড ও আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশনের ২০টি ইউনিট। ঘটনাস্থলটি নিকটবর্তী ফায়ার স্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এছাড়া, উদ্ধার সহায়তায় যোগ দিয়েছে ২ প্লাটুন বিজিবি।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং দমকলকর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই তা তীব্র আকার ধারণ করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আশপাশের কারখানা থেকে লোকজন সরানো হয়েছে। কয়েকশ মিটার এলাকায় মানুষজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন সাততলা ভবনের পুরোটাই দাউদাউ করে জ্বলছে।

তারা আরও বলেন, ‘বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে এসির বিস্ফোরণ ঘটছে।’

আগুন লাগা কারখানাটির পাশের আরেকটি কারখানা পেনিনসুলা-এর নিরাপত্তাকর্মী মানুমুনুর রশিদ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, ‘অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লি. কারখানাটির চার তলা পর্যন্ত উৎপাদন হতো। উপরে ছিল গোডাউন। প্রথমে আমরা আগুন দেখে কারখানার শ্রমিকদের বলি। তারা সুপারভাইজারকে জানায়। শ্রমিকরা সবাই বের হয়ে পড়েছেন।’

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘কারখানার ৫ম তলায় একটি রাসায়নিক দ্রব্যের দোকান আছে। আগুন সেখানে পৌঁছালে এটি ভয়াবহ রূপ নেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘৬ষ্ঠ এবং ৭ম তলার সব দেয়াল ধসে পড়েছে। আগুন এখন ৫ম তলায় পৌঁছাতে শুরু করেছে।’

জানা গেছে, অ্যাডামস ক্যাপস অ্যান্ড টেক্সটাইল লি. কারখানাটির কয়েকশ গজ পেছনে একই কোম্পানির মালিকানাধীন আরেকটি কারখানা আল হামিদি। রাত ৭টার দিকে ওই কারখানা থেকে বড় কাভারভ্যানে মালামাল সরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কারখানাটির নিরাপত্তা কর্মী খোকন মিস্ত্রী বলেন, ‘আগুন কাছাকাছি আসছে। তাই মালামাল সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সূত্র জানায়, আগুন লাগার পরপরই কারখানার সব শ্রমিক ও কর্মচারীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এছাড়া, অগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -spot_img

পাঠক প্রিয়